‘বন্দুকযুদ্ধে’ চার রোহিঙ্গা ‘ডাকাত’ নিহত

কক্সবাজারে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ চার রোহিঙ্গা নিহত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে টেকনাফের হোয়াইক্যং-শামলাপুর ঢালা নামের পাহাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতেরা সবাই ডাকাত দলের সদস্য বলে পুলিশ জানিয়েছে।

নিহতরা হলেন আবদুল হাকিম বাহিনীর সদস্য বশির (৩৫), হামিদ (৩০), রফিক  (৩০) ও রইঙ্গা (২৫)। এদের মধ্যে বশির ও হামিদ শীর্ষ ডাকাত আবদুল হাকিমের ভাই বলে পুলিশ জানায়।

টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান, গতকাল সকালে শীর্ষ রোহিঙ্গা ডাকাত আবদুল হাকিমের সন্ধান পেয়ে পুলিশের একটি দল হোয়াইক্যং-শামলাপুর ঢালা এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দলের সদস্যরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। এক পর্যায়ে ডাকাত দল পাহাড় এলাকায় পালিয়ে যায়। এরপর ওই এলাকা তল্লাশি করে ৪০ হাজার পিস ইয়াবা, ৪টি দেশীয় এলজি বন্দুক উদ্ধার করা হয়। এ সময় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় চারজনকে উদ্ধার করে টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। মৃতদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন জানান, আবদুল হাকিম দীর্ঘদিন ধরে উখিয়া ও টেকনাফ এবং মিয়ানমার সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায় বাহিনী গঠন করে ডাকাতি, খুন, অপহরণ ও ধর্ষণের মতো অপরাধ কর্মকা- চালিয়ে আসছে। তাকে ধরতে বারবার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান পরিচালনা করে ব্যর্থ হয়। সর্বশেষ গতকাল সকালে হাকিমের অবস্থান জানতে পেরে টেকনাফ থানা পুলিশ অভিযান চালায়। অভিযানের শুরুতেই তারা পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে জড়িয়ে যায়। এবারও হাকিম পালিয়েছে। তাকে ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।