সুনামগঞ্জে কমছে নদীর পানি, এখনো লাখো মানুষ পানিবন্দি

টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জে জেলার ১১টি উপজেলায় সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। কমতে শুরু করেছে সুরমাসহ বেশ কয়েকটি নদনদীর পানি।

এছাড়া পানি কমেছে সুনামগঞ্জ শহরের বিভিন্ন এলাকার। তবে এখনো পানিবন্দি রয়েছে নিম্নাঞ্চলের ৬ উপজেলার কয়েক লক্ষাধিক মানুষ। বিশুদ্ধ খাবার পানি সংকট দেখা দিয়েছে বন্যা কবলিত এলাকায়।

সোমবার দুপুরে সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার ৩০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

সুনামগঞ্জ-তাহিরপুর সড়কে বেশ কিছু সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় এখনো সরাসরি যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এছাড়া সুনামগঞ্জ-ছাতক উপজেলার যান চলাচলও বন্ধ রয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের সুনামগঞ্জ কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সবিবুর রহমান জানান, সুনামগঞ্জে রবিবার দুপুর থেকে বৃষ্টিপাত না হওয়া কমছে নদনদীর পানি। একইভাবে উজানের পাহাড়ি ঢল না হওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হচ্ছে। আর দুয়েকদিন এভাবে বৃষ্টিপাত না হলে বন্যা পরিস্থিতি অনেকটা কমে যাবে।

জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল আহাদ জানান, জেলার বন্যা পরিস্থিতির অনেকটা উন্নতি হয়েছে। আর বৃষ্টিপাত না হলেই প্লাবিত এলাকাগুলো থেকে পানি নেমে যাবে। আর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের ত্রাণ পৌঁছে দেয়া হয়েছে।

বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১৪৮টি পানিবন্দি মানুষজন আশ্রয় নিয়েছে।

পানিবন্দি মানুষদের জন্য ৪১০ মেট্রিক টন চাল এবং নগদ প্রায় ৩০ লাখ টাকা দেয়া হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন উপজেলায় বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রের পাশাপাশি সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।