করোনা উপসর্গ নিয়ে চার জেলায় এক পুলিশ সদস্যসহ ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালেই মারা যান ৬ জন। এ ছাড়া চট্টগ্রাম, কুড়িগ্রাম ও নাটোরে একজন করে রয়েছেন। বিস্তারিত ব্যুরো, নিজস্ব প্রতিবেদক, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি ও প্রতিনিধির পাঠানো খবরে
কুমিল্লা : কুমেক হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. মুজিবুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছয়জন মারা গেছেন। তারা হলেন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার জাঙ্গালিয়া এলাকার গোলাম রাসেল খানের ছেলে জহির খান (৫০), একই এলাকার আনসার আলীর ছেলে আবদুল করিম, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার রহিম উদ্দিনের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান (৮০), বুড়িচং উপজেলার রামপুর এলাকার ডা. রাসেদুল ইসলামের ছেলে মফিজুল ইসলাম (৬৫), চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার গোলাম রহমানের ছেলে আমিনুল হক (৭৫) এবং একই উপজেলার ওয়াব আলীর ছেলে আবদুল করিম (৬৫)।
চট্টগ্রাম : করোনা উপসর্গ নিয়ে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) ট্রাফিক-উত্তর বিভাগের কনস্টেবল আ ফ ম জাহেদ (৪১) মারা গেছেন। গতকাল দুপুরে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। সীতাকুণ্ড উপজেলার বাড়বকুণ্ড নড়ালিয়া এলাকার বাসিন্দা জাহেদের গত ২৫ জুন নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল।
কুড়িগ্রাম : রৌমারীতে করোনা উপসর্গ নিয়ে সাবিনা (২২) নামে এক গার্মেন্টস কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বুধবার সকালে উপজেলার পাখীউড়া গ্রামে নিজ বাড়িতে তার মৃত্যু হয়। সাবিনা দীর্ঘদিন সর্দি, কাশি, জ্বর ও গলা ব্যথায় ভুগছিলেন। নমুনা সংগ্রহের পর স্বাস্থ্যবিধি মেনে তাকে দাফন করা হয়েছে।
নাটোর : ঢাকা থেকে নাটোর শহরের তেবাড়িয়া ইউনিয়নের জংলি এলাকায় মামার বাড়ি বেড়াতে এসে করোনা উপসর্গ নিয়ে বিধান সরকার (৪৭) নামে এক ব্যক্তি মারা গেছেন। গত মঙ্গলবার রাতে তার মৃত্যু হয়। এদিকে করোনা উপসর্গ থাকায় স্বজনদের কেউ সৎকারে না আসায় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম ব্যবস্থা করেন। বিধান নওগাঁ জেলার রানীনগর এলাকার দুলাল সরকারের ছেলে।