‘রেড জোন’ থেকে ‘ইয়েলো জোন’ মাধবদী পৌরসভার ২টি ওয়ার্ড

নরসিংদীতে ‘রেড জোন’ হিসেবে লকডাউনে থাকা মাধবদী পৌরসভার দুইটি ওয়ার্ডকে ‘ইয়েলো জোন’ হিসেবে ঘোষণা করেছে  জেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে মাধবদী পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই ঘোষণা দেন জেলা প্রশাসক সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন। 

এর আগে তিনি লকডাউনে থাকা মাধবদী পৌরসভার ৪ ও ৫নং ওয়ার্ডে সুস্থ্য হয়ে যাওয়া করোনা আক্রান্তদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজখবর নেন এবং তাদের মাঝে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন উপহার সামগ্রী তুলে দেন।

জেলা প্রশাসক সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন বলেন, গত ১১ জুন থেকে করোনা আক্রান্তের দিক দিয়ে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় মাধবদী পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড উত্তর বিরামপুর ও ৫নং ওয়ার্ড দক্ষিণ বিরামপুর দুইটিকে লকডাউন করে জেলা প্রশাসন। প্রথম দিকে ১৮ জন করোনা রোগী নিয়ে লকডাউন করলেও পরবর্তীতে সেখানে আরো ৫জন আক্রান্ত হয়। লকডাউনের ২১ দিন পর সেখানে মোট ২৩ জনের মধ্যে ২০ জন করোনা রোগী সুস্থ্য  হয়েছেন। বিগত ২১ দিনে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় করোনা আক্রান্তের হার ২২% থেকে ৫ % নেমে এসেছে। আক্রান্তের হার কমে আসায় ওয়ার্ড দুইটিকে ‘রেডজোন’ থেকে ‘ইয়েলো জোন’ হিসেবে ঘোষণা দেয়া হয়।  আগামী  ৫ জুলাই আক্রান্তের হার শূণ্যর কোঠায় নেমে আসলে এই দুইটি ওয়ার্ডকে গ্রীণ জোন হিসেবে ঘোষণা করার আশা করছেন জেলা প্রশাসক। 

তিনি আরো বলেন, ঈদ উল আজহায় রেড জোন এলাকায় কোরবানি পশুর হাটের আয়োজন করা যাবে না। খুব শীঘ্রই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অনলাইনে গরু কেনা বেচার জন্য ‘অনলাইন গো হাট’ চালু করবে।

আর করোনা পরীক্ষার জন্য জেলা প্রশাসনের বেসরকারি উদ্যোগে নিয়োগ দেওয়া ল্যাব টেকনিশিয়ানদের নাম মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হলে তাদেরকে স্থায়ীভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

মাধবদী পৌরসভার মেয়র মোশাররফ হোসেন মানিকের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, নরসিংদী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম টিটন,সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাছলিমা আক্তার, সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি শাহ আলম মিয়া, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন ফেরদৌস মিয়া, নরসিংদী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রী এর প্রেসিডেন্ট আলী হোসেন শিশির , মাধবদী পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ ফরিদ, ৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হেলাল উদ্দীনসহ প্রমুখ।