কুমিল্লায় রিপোর্ট পেতে লাগে ৫ থেকে ৬ দিন

কুমিল্লায় করোনার উপসর্গ রয়েছে এমন ব্যক্তিদের কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহের ৫ থেকে ৬ দিন পর্যন্ত রিপোর্ট দেওয়া হচ্ছে না- এমন অভিযোগ রয়েছে। তাই উপসর্গ নিয়েও অনেকে সহজে নমুনা দিতে পারছেন না। তবে, এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য কুমিল্লায় আরেকটি পিসিআর মেশিন স্থাপনের চেষ্টা চলছে।

কুমিল্লা সিটি ও সদরে দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে রিপোর্ট দেওয়া হলেও উপজেলা থেকে সংগ্রহকৃত নমুনার রিপোর্ট পেতে সময় লাগছে ৫-৬ দিনের মতো। উপসর্গ নিয়ে অনেক মানুষ হতাশা ও আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।

গত ২৭ এপ্রিল কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগে করোনাভাইরাস পরীক্ষার পিসিআর মেশিন উদ্বোধন করা হয়। বর্তমানে একটি ল্যাবে পরীক্ষা হচ্ছে তাই একটু সময় লাগছে বলে জানিয়েছেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের পরিচালক ডা. মুজিবুর রহমান।

তিনি জানান, এক থেকে দুই দিনের মধ্যেই রিপোর্ট দেওয়া হচ্ছে। তবে নমুনা সংগ্রহের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে টেস্টের ফল দেওয়ার কথা থাকলেও নমুনা সংগ্রহের হার বেশি থাকায় কুমিল্লায় তা সম্ভব হচ্ছে না। কুমিল্লায় সিটি করপোরেশন এলাকার ২৭টি ওয়ার্ডের জন্য সিটি করপোরেশনের টিম নমুনা সংগ্রহ করে, উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের মানুষের নমুনা সংগ্রহ করে সদর উপজেলা টিম, ১৭টি উপজেলায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। এছাড়াও মেডিকেল কলেজের ডাক্তার ও কর্মকর্তাদের জন্য রয়েছে একটি নমুনা সংগ্রহের টিম।   

যারা নমুনা দিচ্ছেন তাদের ফলাফল আসতে দেরি হওয়ায় ওই ব্যক্তিরা নমুনা  দেওয়ার পর উন্মুক্ত স্থানে ঘোরাঘুরি করার ফলে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। নমুনা দিয়ে রিপোর্ট আসতে দেরি হওয়ায় উপসর্গ রয়েছে এমন ব্যক্তিরা চিকিৎসা নেওয়া বা আইসোলেশনে যওয়া নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগছেন।

 জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, অরেকটি পিসিআর মেশিন স্থাপন করা হলে এই সমস্যা দূর হবে। এক সপ্তাহের মধ্যেই নতুন পিসিআর মেশিন বসানো হবে বলে জানা গেছে। কুমিল্লা সিভিল সার্জন কার্যালয় জানায়, প্রতিদিন গড়ে তিনশ থেকে সাড়ে তিনশ নমুনা সংগ্রহ করা হয়।