কাঁচামরিচের কেজি ১৭০ ও পেঁপে ৬৫ টাকা

রাজধানীতে কয়েক সপ্তাহ ধরে চড়েছে কাঁচাবাজার। ৫০ টাকার নিচে সবজি পাওয়া যাচ্ছে না বললেই চলে। গতকাল শনিবার বিভিন্ন বাজারে খুচরায় কাঁচামরিচ ১৭০ ও পেঁপে ৬৫ টাকা কেজিও বিক্রি হয়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে বন্যা ও ভারতীয় পণ্য আমদানি বন্ধ থাকায় এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

গতকাল রাজধানীর কারওয়ান বাজারে প্রতিকেজি কাঁচামরিচ পাইকারিতে বিক্রি হয়েছে ১৪০-১৫০ টাকা দরে। আর খুচরা বাজার ভেদে বিক্রি হয়েছে ১৭০ টাকা পর্যন্ত। পাইকারি বিক্রেতারা, বলছেন দাম আরও বাড়তে পারে। বাজারে অন্যসব পণ্যের দাম যতই বাড়ুক পেঁপে ২৫-৩৫ টাকার মধ্যে থাকে। কিন্তু গতকাল কারওয়ান বাজারে পাইকারিতে পেঁপের কেজি ৫০ টাকাও বিক্রি হয়েছে। আর খুচরায় পণ্যটির কেজি বিক্রি হয়েছে ৬০-৬৫ টাকা দরে। সাধারণত প্রতি বছর জুন-জুলাইয়ে চিচিঙ্গার কেজি ৪০-৫০ টাকার মধ্যে থাকে। কিন্তু গতকাল কারওয়ান বাজারে পাইকারিতেই পণ্যটি বিক্রি হয়েছে ৫০ টাকা দরে। আর খুচরায় বাজার ভেদে চিচিঙ্গা বিক্রি হয়েছে ৭০-৮০ টাকা। এদিন খুচরা বাজারে পটোল ৫০-৬০, উচ্ছে ৬০-৮০, বেগুন ৭০-১০০, গাজর ১২০, বরবটি ৭০-৮০, ঢেঁড়স ৫০-৫৫ ও টমেটো ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। প্রতিটি লাউ ও মিষ্টি কুমড়া বিক্রি হয়েছে ৬০-৭০ টাকা দরে। আর চাল কুমড়া বিক্রি হয়েছে ৫০-৬০ টাকা দরে। তবে এই সময় বাড়েনি মসলা জাতীয় পণ্যের দাম। গতকাল প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ খুচরায় ৪৫-৫০ টাকা, আমদানি পেঁয়াজ ৪০ টাকা, চীনা রসুন ১২০ টাকা, দেশি রসুন ১০০ টাকা ও আদা ১২০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

কাঁচাবাজার চড়ার কারণ জানতে চাইলে কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী আবদুর রহমান বলেন, ঘূর্ণিঝড় আম্পানের ক্ষতির কারণে এমনিতেই সবজির দাম কিছুটা বাড়তি ছিল। এখন আবার বিভিন্ন এলাকায় বন্যা শুরু হয়েছে। আর কিছু পণ্য ভারত থেকে আসত। কিন্তু বুধবার থেকে তাও বন্ধ। সব মিলিয়ে দাম বাড়ছে।