কোনো ব্যক্তি বা দলকে সুবিধা দিতে নয়, সাংবিধানিক কারণেই করোনার মধ্যে উপনির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা। গতকাল শনিবার যশোর-৬ আসনের (কেশবপুর) উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত ও প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। গত ১৮ জানুয়ারি সংসদ সদস্য আবদুল মান্নানের মৃত্যুতে বগুড়া-১ ও ২১ জানুয়ারি ইসমাত আরা সাদেকের মৃত্যুতে যশোর-৬ আসন ফাঁকা হয়। এ দুই আসনে আগামী ১৪ জুলাই উপনির্বাচনের ভোটের তারিখ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
সিইসি বলেন, নির্বাচন কমিশনের কাছে নির্বাচন পেছানোর আইনগত কোনো সুযোগ নেই। তবে রাষ্ট্রপতি বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে নিতে পারেন। আমরা রাষ্ট্রপতির শরণাপন্ন হয়েছিলাম। তিনিও বলেছেন নির্বাচন না করার কোনো সুযোগ নেই।
কেশবপুর আবু শারাফ সাদেক অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত সভায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে সিইসি বলেন, করোনা আছে, আরও অনেক দিন থাকবে। তার জন্য সবকিছু বন্ধ রাখা যাবে না। দৈনন্দিন কাজ ও নির্বাচনের মতো কাজ এর মধ্যেই করতে হবে। এজন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভোটারদের কেন্দ্রে নেওয়ার প্রচার চালাতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি। ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের মাস্ক খুলে পরিচয় নিশ্চিত করতে হবে বলেও জানান সিইসি।
জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে সভায় নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরী, কমিশনের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ, যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহমেদ খান, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার ড. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, ডিআইজি ড. খন্দকার মহিদ উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন। প্রার্থীদের মধ্যে ছিলেন আওয়ামী লীগের শাহীন চাকলাদার ও জাতীয় পার্টির হাবিবুর রহমান।