করোনায় দেশব্যাপী লকডাউনের সময়ে দিনাজপুরের পার্বতীপুর ইয়ংস্টার ক্লাবের সহযোগি সংগঠন ‘ইয়ংস্টার গণকেন্দ্র পাঠাগার’ বন্ধ ছিল। লকডাউন তুলে নেওয়ার পর সোমবার বিকেল ৩টায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে পুনরায় এ পাঠাগার চালু করা হলো।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ক্লাবের সভাপতি, সমাজসেবী ও ক্রীড়া সংগঠক মো. আমজাদ হোসেন, প্রেসক্লাবের সভাপতি শ.আ.ম হায়দার, সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক মো. শহীদুল্লা, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোসেন স্বপন, শেখ রাসেল স্মৃতি সংসদের সভাপতি শামসুল আলম কাজী প্রমুখ।
পার্বতীপুর রেল স্টেশনের পাশেই তিনতলা ইয়ংস্টার ক্লাব ভবন। নীচতলা জুড়ে বিশাল ‘ইয়ংস্টার গণকেন্দ্র পাঠাগার’। পুরো পাঠাগার শীতাতাপ নিয়ন্ত্রিত। আছে প্রায় ৬ হাজার বই। আরো আছে নিয়মিত ২৫টি দৈনিক ও সাময়িক পত্রিকা।
প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত খোলা থাকে পাঠাগার। শুক্রবার বন্ধ। পাঠাগারের সদস্য সংখ্যা মোট সাতশ। ইয়ংস্টার ক্লাবের জন্ম ১৯৮৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর।
পাঠাগারের পাঠক সাংস্কৃতিক কর্মী প্রদীপ দত্ত বলেন, ফেসবুক ও ইন্টারনেটে পড়ে থাকার চেয়ে এই পাঠাগারের পুরনো বইয়ের মধ্যে অনেক বেশী আনন্দ পাই। তাই সময় পেলেই ছুটে আসি।
পার্বতীপুর ইয়ংস্টার ক্লাবের সভাপতি, সমাজসেবী ও ক্রীড়া সংগঠক মো. আমজাদ হোসেন বলেন, তখন আমাদের পার্বতীপুরে কোনো পাঠাগার ছিল না। গ্রামের শিক্ষার্থীরা অনেক সুবিধাই পায় না। তাদের মেধা বিকাশের পরিপূরক হিসেবে আমরা এই পাঠাগার, ওপরে ললিতকলা একাডেমি ও থিয়েটার গড়েছি। আমরা চাই, পাঠাগারের বই পড়ে ছাত্রছাত্রীদের পাঠ অভ্যাস গড়ে উঠুক।