চাল চুরি করায় নবীগঞ্জ উপজেলা আ. লীগের সভাপতির পদ হারালেন মুকুল

চাল চুরি প্রমাণিত হওয়ায় ইউপি চেয়ারম্যান থেকে সাময়িক বরখাস্ত হওয়ার পর এবার দলীয় পদ থেকেও অব্যাহতি পেলেন নবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইমদাদুর রহমান মুকুল। তিনি নবীগঞ্জের গজনাইপুর ইউপির চেয়ারম্যান ছিলেন। 

বুধবার সকাল ১১টায় নবীগঞ্জ উপজেলা অডিটেরিয়ামে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত বর্ধিত সভায় সর্বসম্মতিভাবে তাকে সাময়িক অব্যাহতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি গিয়াস উদ্দিন আহমদ। 

বিগত চার বছর ধরে ২২৯ জন লোকের খাদ্য বান্ধব কর্মসূচীর (১০টাকা) কেজির চাল আত্মসাতের খবর দেশ রূপান্তরসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায়  গত ৭  জুলাই গজনাইপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদ থেকেও তাকে বরখাস্ত করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। 

এ নিয়ে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। জনমনে প্রশ্ন উঠে প্রভাবশালী এই নেতাকে দল থেকে সরানো সম্ভব হবে কি না?  অবশেষে চেয়ারম্যান মুকুলকে দল থেকে অব্যাহতির সিদ্ধান্ত  নিশ্চিত করেছেন  উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল জাহান চৌধুরী। 

তিনি জানান, সভার সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগকে সুপারিশ করা হয়েছে। সভাপতি পদে সিনিয়র সভাপতি গিয়াস উদ্দিন দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানান তিনি।