হুমায়ূন আহমেদের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে গতকাল পালিত হলো জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী। গতকাল রবিবার গাজীপুরের নুহাশ পল্লীতে কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠের মাধ্যমে স্মরণ করা হয় বাংলা ভাষার অন্যতম জনপ্রিয় এই লেখককে।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে এবার হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকীতে সীমিত পরিসরে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়। ভক্তদের উপস্থিতিও তেমন বেশি ছিল না। বেলা ১১টার দিকে মেহের আফরোজ শাওন তার দুই ছেলে নিষাদ, নিনিতসহ পরিবারের সদ্যদের নিয়ে নুহাশ পল্লীতে আসেন। সাড়ে ১১টার দিকে মেহের আফরোজ শাওন, ছেলে নিষাদ, নিনিত, শাওনের পিতা প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী, নুহাশ পল্লীর কর্মচারী ও হুমায়ূনভক্তরা কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং জিয়ারত করেন।

অনুষ্ঠানে যোগ দেন বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি এবং সৃজনশীল প্রকাশক ও পরিষদের কয়েকজন নেতা।

কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে লেখকের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন সাংবাদিকদের বলেন, প্রতি বছর বিভিন্ন এতিমখানার এতিমদের নিয়ে কোরআনখানির ব্যবস্থা করা হতো। এবার তা সীমিত আকারে হয়েছে। এ সময় তিনি নুহাশ পল্লীতে হুমায়ূন আহমেদের কবরের কাছে একটি জাদুঘর নির্মাণ প্রসঙ্গে বলেন, নুহাশ পল্লী একটি পারিবারিক সম্পদ। পারিবারিক সম্পত্তির মধ্যে এ রকম কিছু একটা করতে হলে পরিবারের সবার মতামত নিতে হবে। পারিবারিক সমন্বয়হীনতার কারণে জাদুঘরটির নির্মাণকাজ শুরু করা যাচ্ছে না।

হুমায়ূন আহমেদ ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে ২০১২ সালের ১৯ জুলাই নিউ ইয়র্কে একটি হাসপাতালে মারা যান।