খুলনা মহানগরীর খানজাহান আলী থানার মশিয়ালী গ্রামে গুলি ও গণপিটুনিতে ৪ জন নিহতের ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার গঠিত এই কমিটির প্রধান করা হয়েছে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ) এস এম ফজলুর রহমানকে। এছাড়া খানজাহান আলী থানার ওসি এস এম শফিকুল ইসলামকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক হিসেবে বাহিনীটির বিশেষায়িত শাখা সোয়াটে বদলি করা হয়েছে।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) কানাই লাল সরকার জানান, মশিয়ালী গ্রামে চারজন নিহতসহ হত্যাকাণ্ডের আগে-পরের ঘটনা সংক্রান্ত সার্বিক বিষয়ে অনুসন্ধানের জন্য কেএমপির পক্ষ থেকে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশিকিউশন) মো. আনোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) কানাই লাল সরকার ও সহকারী পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) শিপ্রা রানী দাস। তদন্ত কমিটির সদস্যরা গতকাল মঙ্গলবার থেকেই মশিয়ালী গ্রামের ওই হত্যাকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধানে মাঠে নেমেছে।
গত ১৬ জুলাই বিকেলে এক ব্যক্তিকে অস্ত্রসহ খানজাহান আলী থানা আওয়ামী লীগের সহ-প্রচার সম্পাদক জাকারিয়া এবং তার ভাই জাফরিন ও মিল্টন পুলিশে দেন। এতে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী কারণ জানতে জাকারিয়ার বাড়িতে যায়। এ সময় জাকারিয়ার সঙ্গে তাদের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে জাকারিয়া, জাফরিন কবির ও মিল্টন গ্রামবাসীর ওপর গুলিবর্ষণ করেন। গুলিতে মারা যান তিনজন। ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী ওইদিন গভীর রাতে জাকারিয়া বাহিনীর এক সদস্যকে পিটিয়ে হত্যা করে।