দীর্ঘ বন্যায় ভোগান্তিতে কুড়িগ্রামের আড়াই লাখ বানভাসি

দীর্ঘ বন্যায় ভোগান্তিতে পড়েছে কুড়িগ্রামের আড়াই লাখ বানভাসি মানুষ। মানুষজনের মাঝে ডায়রিয়া ও চর্মরোগ দেখা দিয়েছে। দিনের পর দিন পানিবন্দী, খাদ্য ও খাবার পানির সংকট, অসুখ-বিসুখে আর বৃষ্টিতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে কুড়িগ্রামবাসীর জীবন।

কুড়িগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়ের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ সূত্র জানায়, বন্যা কবলিত এলাকায় এ পর্যন্ত ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়েছেন ৪শ’ ৮৪ জন। এ সব নিয়ন্ত্রণে ৮৫টি মেডিকেল টিম কাজ করার কথা জানালেও, তাদের দেখা মেলে না বলে অভিযোগ করেছেন দুর্গত মানুষজন।

এদিকে, তিস্তার পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আবারও ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। রাজারহাট উপজেলার একটি বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় ২০ টি গ্রাম নতুন করে প্লাবিত হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা নিয়ন্ত্রণ কক্ষ জানায়, বুধবার বিকেল ৩ টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি নুন খাওয়া পয়েন্টে ৪২ সেন্টিমিটার, চিলমারী পয়েন্টে ৫৩ সেন্টিমিটার, ধরলা সেতু পয়েন্টে ৬৯ সেন্টিমিটার বিপদ সীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। তিস্তা নদীর পানি কাউনিয়া পয়েন্টে ২৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। 

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন শাখা জানায়, আগের দেওয়া বরাদ্দে ত্রাণ কার্যক্রম চলমান আছে। নতুন করে কোনো বরাদ্দ দেওয়া হয় নাই।