মুশফিকের আফসোস, ‘অনেকগুলো ৫০-১০০ মিস হয়ে যাচ্ছে’

দীর্ঘদিন ঘরবন্দী থাকার পর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ব্যবস্থাপনায় ব্যক্তিগত অনুশীলন শুরু করেছিলেন মুশফিকুর রহিমসহ বেশ ক’জন। ঈদের আগে রবিবার ছিল শেষ দিনের অনুশীলন। এদিন মুশফিক জানালেন, দারুণ ফলপ্রসূ ছিল এই কটা দিন। ঈদের পর দলের সবাই একসঙ্গে মিলে অনুশীলন শুরুর আশাও দেখছেন তিনি।

দীর্ঘ দিন পর অনুশীলন শুরু করতে পারলেও ম্যাচ খেলতে না পারার আক্ষেপ আছে মুশফিকের। টিভিতে ইংল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজের খেলা দেখছেন, আর সেই আক্ষেপটা আরো বাড়ছে। অনেকগুলো ফিফটি-সেঞ্চুরি মিস হয়ে যাওয়ার হতাশা ঝরছে তার কণ্ঠে।

গত রবিবার দেশের চার ভেন্যুতে অনুশীলন শুরু করেছিলেন ৯ ক্রিকেটার। পরে তাদের সঙ্গে যোগ দেন আরো বেশ ক’জন। মুশফিক বললেন, ‘যে ৭-৮ দিন কাজ করেছি খুবই ভালো হয়েছে। কারণ চার মাস ইনডোরে কাজ করা আর বাইরে কাজ করা সম্পূর্ণ ভিন্ন। চাচ্ছিলাম যে রোদের ভেতরে এসে আউটফিল্ডে যেন রানিংটা যায়, ফিটনেস ওয়ার্কটা করা যায়। এর সাথে সাথে স্কিল ওয়ার্ক। এটা হয়েছে।’ এ জন্য বিসিবিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মুশফিক।

সবাই আত্মবিশ্বাসী থাকলে ঈদের পর অন্তত বিভিন্ন ধাপে ৪-৫ করে হলেও দলীয় অনুশীলন শুরু করা যেতে পারে বলে মনে করেন মুশফিক। সেই সঙ্গে দ্রুত প্রতিযোগিতামূলক খেলায় ফেরার অপেক্ষাতেও তিনি। তাই বললেন, ‘এখন মুখিয়ে আছি, মাঠের মানুষ যেহেতু মাঠে যেন ফিরতে পারি এবং ম্যাচ খেলতে পারি।’

করোনার এই সময়ে ব্যক্তিগত অনুশীলনের বাইরে অখণ্ড অবসর। পরিবারের সঙ্গে সময় দেওয়া আর খেলা দেখেই সময় কাটছে বলে জানান মুশফিক। আর খেলা দেখে আফসোসও যে জাগছে মাঝে মধ্যে সে কথাও বললেন অকপটে।

‘খেলা দেখলে আসলে আফসোস লাগে। একটু হলেও খারাপ লাগে, অনেকগুলো ৫০ বা ১০০ মিস হয়ে যাচ্ছে।’- বলেন মুশফিক।

তবে করোনা পরবর্তী নতুন নিয়মগুলো শেখার চেষ্টা করছেন বলে জানালেন, ‘নতুন নিয়মের সঙ্গে কীভাবে মানিয়ে নিচ্ছে দেখছি। সব কিছু থেকে শিক্ষা নেওয়ার চেষ্টা করছি। আমাদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট যখন পুনরায় শুরু হবে, আবার যেন আগের অবস্থায় ফিরে যেতে পারি, সেটাই চাই।