সরকার নির্ধারিত মূল্যে লবণযুক্ত চামড়া বিক্রি তদারক করতে অভিযান পরিচালনা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
গতকাল শনিবার সাভারের আমিনবাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আবদুল জব্বার ম-ল। তিনি বলেন, অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বাবলু কুমার সাহার নির্দেশনায় আমিনবাজার এলাকার বিভিন্ন আড়তে অভিযান পরিচালনা করি। ট্যানারিগুলো কোরবানির পশুর লবণযুক্ত চামড়া কেনা শুরু করেছে। ট্যানারির মালিকরা নির্ধারিত মূল্যে চামড়া কিনছেন কি না, তার তদারকি করা হয়। এখন সীমিত পরিসরে লবণযুক্ত চামড়া বিক্রি শুরু হয়েছে।
তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত যেসব আড়তে গিয়েছি সব জায়গায় সঠিক দামে চামড়া বিক্রি হচ্ছে। অভিযান চলবে। কোনো অনিয়ম বা অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেব।
এদিকে ট্যানারির মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, ট্যানারিগুলো তাদের সুবিধামতো লবণযুক্ত চামড়া সংগ্রহ শুরু করেছে। সরকার নির্ধারিত দামেই আড়তদার ও পাইকারদের কাছ থেকে তা কেনা হচ্ছে। চামড়ার মান অনুযায়ী দাম দেওয়া হচ্ছে। এবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয় গত বছরের তুলনায় সর্বোচ্চ ২৯ শতাংশ কমিয়ে কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করেছে। ঢাকায় লবণযুক্ত প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়া ৩৫-৪০ টাকা, ঢাকার বাইরে ২৮-৩২ টাকা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। গত বছর ঢাকায় প্রতি বর্গফুট চামড়ার মূল্য ছিল ৪৫-৫০ টাকা এবং মফস্বলে ৩৫-৪০ টাকা। এবার সারা দেশে খাসির চামড়ার মূল্য ধরা হয়েছে ১৩-১৫ টাকা, গত বছর ছিল ১৮-২০ টাকা। বকরির চামড়া ১০-১২ টাকা, গত বছর ছিল ১৩-১৫ টাকা।