করোনাভাইরাসের কারণে ৫ মাস যাবৎ দেশে সব ধরনের খেলাধুলার কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে সোমবার যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল এমপি বলেছেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত আকারে খেলাধুলা আয়োজন ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালু করা যাবে।
সচিবালয়ে এক জরুরি সভা শেষে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ১০ শর্তে সীমিত আকারে খেলাধুলা আয়োজন ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালুর বিষয়ে মতামত প্রদান করেছে। এমতাবস্থায়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক নির্ধারিত শর্তসমূহ প্রতিপালন পূর্বক দেশের সকল পর্যায়ে খেলাধুলা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সীমিত আকারে চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।’
বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়লে মার্চ থেকে বিভিন্ন দেশে খেলাধুলার কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হচ্ছিল। ইউরোপের বিভিন্ন দেশে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর খেলাধুলার কার্যক্রম ফের শুরু হয়েছে। ইউরোপিয়ান লিগ, এমনকি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটও মাঠে ফিরেছে।
এদিকে গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ধীরে ধীরে পরিস্থিতির অবনতি হতে থাকে। এ অবস্থায় গত ১৬ মার্চ দেশে সব ধরনের খেলাধুলা স্থগিত করার নির্দেশ দেয় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। প্রথমে ৩১ মার্চ পর্যন্ত স্থগিত করা হলেও পরে করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় অনির্দিষ্ট কালের জন্য বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্ট ও অনুশীলন কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যায়।
এর আগে গত ৯ জুলাই যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর তথা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মতামত সাপেক্ষে দেশের খেলাধুলা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পুনরায় চালু করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এরই মধ্যে অবশ্য দেশের শীর্ষ তিন খেলা- ক্রিকেট, ফুটবল ও হকির অনুশীলন কার্যক্রম সীমিত আকারে শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) তত্ত্বাবধানে ঈদের আগে থেকেই ব্যক্তিগত অনুশীলন করছিলেন ক্রিকেটাররা।
ফুটবলে বিশ্বকাপ বাছাই উপলক্ষে শুরু হয়েছে অনুশীলন ক্যাম্প। হকিতে শুরু হয়েছে অনূর্ধ্ব-২১ দলের মাসব্যাপী অনুশীলন কার্যক্রম। তবে দেশে করোনা প্রাদুর্ভাবের পর থেকেই মাঠের খেলা এখন পর্যন্ত স্থগিত রয়েছে।
আরো পড়ুন: