আগামীকাল ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এলাকাকেন্দ্রিক ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কর্তৃক গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন করেছেন পুলিশ কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম।
পুলিশ জানিয়েছে, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ধানমন্ডি ৩২ ও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে আসা প্রত্যেক ব্যক্তিকে হ্যান্ড মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশি করে আর্চওয়ের ভেতর দিয়ে প্রবেশ করতে হবে। একইভাবে বনানী কবরস্থানেও আর্চওয়ে, চেকপোস্ট থাকবে এবং সবাইকে তল্লাশির মাধ্যমে প্রবেশ করতে হবে। আগত দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য তল্লাশি, ব্লক রেইড, চেকপোস্টের কার্যক্রম অব্যাহত আছে। গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং পর্যাপ্তসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সেই সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবক থাকবে।
তারা আরও জানিয়েছে, গমনাগমনের ক্ষেত্রে ভিভিআইপি, ভিআইপি, সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের মানিক মিয়া এভিনিউ (ধানমন্ডি ২৭ নম্বর ক্রসিং), মিরপুর রোড (মেট্রো শপিং মল মোড়), ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের পশ্চিম প্রান্ত দিয়ে প্রবেশ এবং একই পথে প্রস্থান করবেন। বিভিন্ন দল, প্রতিষ্ঠান এবং সর্বসাধারণের একমুখী গমনাগমনের নিমিত্তে রাসেল স্কোয়ার হতে ধানম-ি ৩২ নম্বরের পূর্বপ্রান্ত দিয়ে প্রবেশ করে পশ্চিমপ্রান্ত দিয়ে বের হবেন। ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর ও বনানী কবরস্থান এলাকায় আগতদের গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য নির্ধারিত স্থান রাখা হয়েছে। মিরপুর রোড ও ধানমন্ডি ৩২-এর চতুর্দিকে মোটরসাইকেল পার্কিং নিষেধ। ধানমন্ডি ৩২ ও বনানী কবরস্থানকেন্দ্রিক অনুষ্ঠানস্থল ও তার আশপাশের এলাকা সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকবে। ভেনু্যুকেন্দ্রিক অস্থায়ী পুলিশ কন্ট্রোল রুম থেকে সার্বক্ষণিক সিসিটিভি মনিটরিং করা হবে। পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে আসা জনসাধারণকে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দিতে ধানম-ি ৩২ নম্বরকেন্দ্রিক মাইকিং ব্যবস্থা থাকবে। আগত জনসাধারণের জন্য থাকবে বিশুদ্ধ খাবার পানির ব্যবস্থা। ধানমন্ডি ৩২ ও বনানী কবরস্থানকেন্দ্রিক নিিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পোশাকে ও সাদা পোশাকে পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। সেই সঙ্গে ডগ স্কোয়াড ও বোম ডিসপোজাল ইউনিট দিয়ে সুইপিং করানো হবে। ধানমন্ডি লেকে মোতায়েন থাকবে নৌপুলিশের টহল। ১৫ আগস্টের অনুষ্ঠানকে ঘিরে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরকেন্দ্রিক নিরাপত্তায় মোতায়েন থাকবে ফায়ার টেন্ডার ও অ্যাম্বুলেন্স। প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য দুই ভেন্যুতেই থাকবে মেডিকেল টিম।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, নিরাপত্তার স্বার্থে আজ ১৪ আগস্ট থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত ধানমন্ডি ৩২ ও বনানী কবরস্থান সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত হোটেল, গেস্ট হাউস বন্ধ থাকবে এবং মেসগুলোতে পুলিশের নজরদারি বাড়ানো হবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উসকানিমূলক পোস্ট, গুজব ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচার করে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার বিষয়ে অনলাইন/সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেকোনো অপপ্রচার কঠোরভাবে নজরদারি করাসহ আইনের আওতায় আনা হবে।
জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচিতে করোনাকালীন সংক্রমণ রুখতে সরকার নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সম্মানিত নগরবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।
গতকাল ডিএমপির গণমাধ্যম শাখার উপপুলিশ কমিশনার মো. ওয়ালিদ হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়ন, গমনাগমনের ক্ষেত্রে ভিভিআইপি, ভিআইপি, সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা মানিক মিয়া এভিনিউ (ধানমন্ডি ২৭ নম্বর ক্রসিং), মিরপুর রোড (মেট্রো শপিং মল মোড়), ধানমন্ডি ৩২ ন¤রের পশ্চিম প্রান্ত দিয়ে প্রবেশ এবং একই পথে প্রস্থান করবেন। বিভিন্ন দল, প্রতিষ্ঠান এবং সর্বসাধারণের একমুখী গমনাগমনের নিমিত্তে রাসেল স্কয়ার হতে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের পূর্বপ্রান্ত দিয়ে প্রবেশ করে পশ্চিমপ্রান্ত দিয়ে বের হবেন। ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর ও বনানী কবরস্থান এলাকায় আগতদের গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য নির্ধারিত স্থান রাখা হয়েছে। মিরপুর রোড ও ধানমন্ডি ৩২-এর চতুর্দিকে মোটরসাইকেল পার্কিং নিষেধ। ধানমন্ডি ৩২ ও বনানী কবরস্থানকেন্দ্রিক অনুষ্ঠানস্থল ও তার আশপাশের এলাকা সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকবে। ভেন্যুকেন্দ্রিক অস্থায়ী পুলিশ কন্ট্রোল রুম থেকে সার্বক্ষণিক সিসিটিভি মনিটরিং করা হবে। পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে আসা জনসাধারণকে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দিতে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর কেন্দ্রিক মাইকিং ব্যবস্থা থাকবে। আগত জনসাধারণের জন্য থাকবে বিশুদ্ধ খাবার পানির ব্যবস্থা।