টানা ঊর্ধ্বগতিতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচকে ৭৮৩ পয়েন্ট যোগ হওয়ার পর মূল্য সংশোধন দেখা দিয়েছে পুঁজিবাজারে। বিনিয়োগকারীদের একটি অংশের মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতায় শেয়ারের বিক্রিচাপ বাড়ায় গতকাল ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচকটি ৭৪ পয়েন্ট কমেছে। তবে সূচক কমলেও শেয়ারের কেনাবেচা ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।
পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত ২৩ জুলাই থেকে পুঁজিবাজার ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় ছিল। মাঝখানে সামান্য সংশোধন হলেও ১২ আগস্ট থেকে সূচকে উল্লম্ফন দেখা দেয়। গত ১৬ কার্যদিবসের মধ্যে মাত্র দুই দিন সংশোধন হতে দেখা যায়। গতকালের সংশোধনের আগ পর্যন্ত গত ১৫ কার্যদিবসে ডিএসইর প্রধান সূচকটিতে ৭৮৩ পয়েন্ট যোগ হয়েছিল। এ সময়ে ব্যাংক, বীমা, ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান, টেলিযোগাযোগ, বস্ত্র ও ফার্মাসিউটিক্যালস খাতের প্রায় সব শেয়ারের দর বাড়তে দেখা যায়। বিনিয়োগ ঝুঁকি কমাতে কৌশলী বিনিয়োগকারীরা গতকাল কিছু মুনাফা তুলে নিয়েছেন।
গতকাল লেনদেন শুরুর ৪০ মিনিটে অধিকাংশ শেয়ারের দরবৃদ্ধিতে প্রধান মূল্যসূচকটি আগের দিনের তুলনায় ৯৩ পয়েন্ট বাড়তে দেখা যায়। তবে এরপর বিক্রিচাপ বাড়তে থাকায় সূচকের নিম্নমুখী ধারা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বেলা ১টার পর থেকে অধিকাংশ শেয়ার দর হারাতে থাকলে সূচক কমতে শুরু করে। দিনশেষে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৬৪ শতাংশ সিকিউরিটিজের দরপতনে প্রধান মূল্যসূচকটি ৭৪ পয়েন্ট কমে ৪৭৮৫ পয়েন্টে নেমেছে। এদিকে গতকাল সূচক কমলেও গত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ কেনাবেচা হয়েছে ডিএসইতে। গতকাল ডিএসইতে কেনাবেচা হয়েছে ১ হাজার ৪০৮ কোটি টাকা, যা ২০১৭ সালের ১৩ সেপ্টেম্বরের পর সবচেয়ে বেশি। এর আগে গ্লাক্সোস্থিক্লাইনের মালিকানা বদলের কারণে গত ২৮ জুন ডিএসইতে ২ হাজার ৫৪৩ কোটি টাকার লেনদেন হয়।