দেশে ভ্যাকসিন আনতে সরকারের কভিড-১৯ সংক্রান্ত সব শাখাই তৎপর রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, এই ভ্যাকসিনগুলোর গুণগত মান যাচাই-বাছাই করেই প্রধানমন্ত্রী সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন। গতকাল সোমবার সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে তাইওয়ানের দেওয়া চিকিৎসা সরঞ্জাম হস্তান্তর অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান তিনি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিশ্বে ভ্যাকসিন আবিষ্কার এখন অ্যাডভান্স লেভেলে আছে। যুক্তরাজ্য, চীন, রাশিয়া, আমেরিকা, ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ভ্যাকসিন আবিষ্কারের চূড়ান্ত পর্যায়ে কাজ করছে। বাংলাদেশ সফলভাবেই কভিড-১৯ মোকাবিলা করে যাচ্ছে। গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম কভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। দেশের বিমান, নৌ ও স্থলবন্দরগুলোতে সময়মতো স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
জাহিদ মালেক বলেন, তখন আমাদের পর্যাপ্ত মেডিকেল সামগ্রী ছিল না, যা ছিল তা-ই দিয়ে আমরা পরিকল্পিতভাবে এ মহামারী মোকাবিলা শুরু করি। দেশে স্পেশালাইজড হাসপাতাল ঘোষণা করে সুচিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এখন হাসপাতালগুলোতে কভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা অনেক কম। এসব হাসপাতালে ৬০-৭০ শতাংশ সিট খালি থাকছে। এখন আমরা স্পেশালাইজড হাসপাতালের সংখ্যা কমিয়ে সাধারণ চিকিৎসার জন্য খুলে দেওয়ার চিন্তা করছি। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারসহ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।