আ.লীগের সাধারণ সম্পাদকের বোধোদয় হয়েছে : রিজভী

‘দেশে কখন কী ঘটে যায় বলা যায় না।’ ওবায়দুল কাদের এমন বক্তব্য দিয়েছেন উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের বোধোদয় হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, ‘ওবায়দুল কাদের তার দলের নেতাকর্মীদের বেশি বাড়াবাড়ি না করতে সাবধান করে দিয়েছেন। কাদের সাহেব ১২ বছর তো হয়ে গেল। এ কথাগুলো আগে বলেননি কেন?’ গতকাল শুক্রবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে রাজশাহী ইউনিভার্সিটি ন্যাশনালিস্ট এক্স স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের (রুনেসা) উদ্যোগে ছাত্রদল মন্নুজান হল শাখার সাবেক সভাপতি দিলরুবা শওকতের রুহের মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ‘পাপুলের টাকা পাচার হয়ে গেল, বরকতের টাকা পাচার হলো, এর মধ্যে করোনার ভুয়া রিপোর্ট দেওয়া হলো, রিজেন্ট-জেকেসি থেকে ভুয়া সনদ দেওয়া হলো। এ কথাগুলো আগে বলেননি কেন। আজকে কেন আপনাদের দলের ভেতরের যে সিন্দুক, সেই সিন্দুক খুলে আজকে সম্রাটকে দেখছি, খালেদকে দেখছি, জি কে শামীমকে দেখছি, বরকতকে দেখছি। এগুলো যদি আগে বলতেন তাহলে আপনাদের যে পরিণতি, জনগণ থেকে বিচ্ছিন্নতা, সেটা হতো না। 

তিনি বলেন, এত অন্যায়-অত্যাচার, নির্যাতন, এত অপরাধ, এত লুণ্ঠন, এটা তো ভয়ে থাকার কথাই। হয়তো মুখ ফসকে বলেছেন। কত কী যে বললেন, ২১ আগস্ট ও ১৫ আগস্ট নিয়ে। একে দায় চাপানো, ওকে দায় চাপানো। অথচ এরা আয়নার সামনে দাঁড়ায় না। নিজেদের চেহারার দিকে কখনই তাকায় না। ওবায়দুল কাদের সাহেবকে বলতে চাই, মানুষ এখন কি বলে জানেন? আপনাদের প্রধানমন্ত্রী যে কথাগুলো বলবেন, যে অভিযোগগুলো করবেন, তার উল্টোটা বিশ^াস করতে হবে।

বিএনপির এই নেতার দাবি, ইলিয়াস আলীর মতো একজন এমপিকে গুম করে দেওয়া হলো। কে করেছে সেটা ওবায়দুল কাদের জানেন। তিনি জানেন রাজশাহীর হিরুকে কে গুম করেছে। সেদিন কেন আপনার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও নেতাকর্মীদের বলেননি, সবাই সাবধান থাকবেন। কখন কী ঘটে যায়। এত অন্যায়, এত টাকা পাচার। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের তো ভয় থাকার কথা। হয়তো তিনি মুখ ফসকে বলেছেন।