সম্পাদক পরিষদ নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়

নিবন্ধনে পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ অগ্রাধিকার : তথ্যমন্ত্রী

অনলাইন নিউজ পোর্টাল নিবন্ধনের ক্ষেত্রে দৈনিক পত্রিকাগুলোর অনলাইন সংস্করণ অগ্রাধিকার পাবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সম্পাদক পরিষদ নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দৈনিক পত্রিকার অনলাইন ভার্সনগুলোকে যাতে সহসাই রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হয় আমরা সেই লক্ষ্যে কাজ করছি। কারণ পত্রিকার ডিক্লারেশনের সময় এগুলোর তদন্ত হয়েছে। আমরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পত্রিকাগুলোর অনলাইন ভার্সনগুলোর রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা করব।’

বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে পত্রপত্রিকার বকেয়া বিলের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কয়েকশ কোটি টাকার বিল বিভিন্ন মন্ত্রণালয়-দপ্তরে আটকে আছে। সেটি নিয়েও আলোচনা হয়েছে, যাতে বিলগুলো তাড়াতাড়ি বিভিন্ন দপ্তরগুলো ছাড় করে। আমি মনে করি, এ বিলগুলো সহসাই দিয়ে দেওয়া প্রয়োজন। এখন করোনাকালে পত্রপত্রিকায় নানা সংকট আছে। যেহেতু দিতেই হবে, সুতরাং এখন দিলে সেটি কাজে বেশি লাগবে।’

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ আরও বলেন, ‘বিএনপির অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র কতটুকু আছে, সেটিই বড় প্রশ্ন। বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির আকার যদি দেখেন, তাহলে এ কমিটির বৈঠক করার জন্য তো হল ভাড়া নিতে হবে। আমি মনে করি, বিএনপির অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

এ সময় সম্পাদক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘গণমাধ্যমের অগ্রযাত্রার জন্য রাষ্ট্রীয় সহযোগিতার বিকল্প নেই। বিশেষ করে করোনা মহামারীর এ সময় বিশেষ সহযোগিতা প্রয়োজন। আজকের আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। দৈনিক পত্রিকাগুলোর অনলাইন ভার্সন দ্রুত নিবন্ধনের আওতায় আনা এবং সংবাদপত্রগুলোর বকেয়া বিল পরিশোধের বিষয়ে আমরা তথ্যমন্ত্রীর সহযোগিতার আশ্বাস পেয়েছি।’

সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান, কালের কণ্ঠ সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন, ভোরের কাগজ সম্পাদক শ্যামল দত্ত, দ্য ডেইলি সান সম্পাদক এনামুল হক চৌধুরী, বণিক বার্তা সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ, সমকালের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি এবং সংবাদের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক খন্দকার মুনীরুজ্জামান প্রমুখ। তথ্য সচিব কামরুন নাহারও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।