কক্সবাজারের টেকনাফে বন্দুকযুদ্ধে মুছা আকবর নামের এক ব্যক্তি নিহতের ঘটনাকে পরিকল্পিত হত্যা দাবি করে টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে আরও একটি মামলা হয়েছে।
বুধবার দুপুর একটার দিকে মুছা আকবরের স্ত্রী শাহেনা আকতার বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলায় টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মশিউর রহমানকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে ২২ জন পুলিশের সদস্য। এ নিয়ে গত এক মাসে ওসি প্রদীপের বিরুদ্ধে ৬টি হত্যা মামলা দায়ের হল।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি মুছা আকবরের বড় ভাই আলী আকবরের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে পুলিশ। একই দিন বাদীর বৃদ্ধ শ্বশুর আবুল বশর ও ভাবি আরিফা বেগমকে বিনা মামলায় আটক করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ইয়াবা উদ্ধার দেখিয়ে একটি ভুয়া মামলা করা হয়। এরপর দুইজনকে কারাগারে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় ৫ মার্চ কক্সবাজার প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন মুছা আকবর। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ২৮ মার্চ দুপুরে মুছা আকবরকে ধরে নিয়ে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। পরে ৩ লাখ টাকা দেয়া হলেও রাতে বন্দুকযুদ্ধের নামে মুছাকে হত্যা করা হয়।
মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী রিদুয়ান আলী জানান, মামলাটি আমলে নিয়ে আদালতে এ সংক্রান্ত টেকনাফ থানায় দায়ের করা মামলার নথিপত্র আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে আদালতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। টেকনাফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিচারক মো. হেলাল উদ্দিন এ আদেশ দেন।