সবার সঙ্গে আমার মেয়ের সম্পর্ক ভালো: ইউএনও ওয়াহিদার মা

দুর্বৃত্তদের হামলায় গুরুতর আহত দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানমের সঙ্গে সবার সম্পর্ক ভালো বলে জানিয়েছেন তার মা রুমিছা বেগম।

বৃহস্পতিবার রাতে দেশ রূপান্তরের সঙ্গে আলাপে তিনি এ কথা জানান।

বুধবার রাত ৩টার দিকে উপজেলা পরিষদ ক্যাম্পাসে ইউএনওর বাসভবনের ভেন্টিলেটর দিয়ে বাসায় ঢুকে ওয়াহিদা ও তার বাবা ওমর আলীর ওপর হামলা হয়।

আহত ওয়াহিদা খানমকে প্রথমে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকার আনা হয়। ওয়াহিদার বাবাকে ঘোড়াঘাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

রুমিছা বেগম বলেন, ১৯৯৬ সাল থেকে সরকারি চাকরির কারণে নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলায় বসবাস শুরু করে ওয়াহিদা খানমের পরিবার। মহাদেবপুর উপজেলা বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) অফিসে স্টোরকিপার পদে চাকরি করতেন তার বাবা ওমর আলী। ২০০৪ সালে বাবার চাকরির মেয়াদ শেষ হয়। মহাদেবপুর উপজেলার বুলবুল সিনেমা হলের পাশে একটি ভাড়া বাসায় বাবা-মা ও ভাই-বোন ও এক দূর সম্পর্কের চাচাসহ তারা বসবাস করে আসছেন।

ওমর আলীর বাড়ি রাজশাহী জেলার বাগমার উপজেলার থানার পশ্চিম পাশে।

ইউএনও ওয়াহিদার তিন বোন ও দুই ভাই। এক বোন রূপালী ব্যাংকে চাকরি করেন। এক ভাই পুলিশের ইন্সপেক্টর ও আরেক ভাই কনস্টেবল পদে বগুড়ায় কর্মরত রয়েছেন। ওয়াহিদা তার সন্তানসহ দিনাজপুর ঘোড়াঘাটে থাকেন।

ওয়াহিদা খানমের মা রুমিছা বেগম দেশ রূপান্তরকে আরো জানান, বৃহস্পতিবার সকালে তাদের জানানো হয় তার স্বামী ও মেয়ের ওপর সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে তিনি তার দেবরকে নিয়ে  দিনাজপুরের উদ্দেশে রওনা হন।

তিনি আরো জানান, ওয়াহিদার স্বামী ও স্বামীর পরিবারের সবার সঙ্গে তার সম্পর্ক খুবই ভালো। ঘোড়াঘাটেও সবার সঙ্গে ইউএনও ওয়াহিদার সম্পর্ক ভালো।

তিনি বলেন, আমার মেয়ের সঙ্গে কারও কোনো ধরনের ঝামেলা ছিল বলে আমাদের জানা নেই।

ঠিক কী কারণে তার ওপর এ হামলা করা হলো তা খুঁজে বের করে এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান রুমিছা বেগম।