গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় কুশলী ইসলামীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান গাজীকে লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদে ও অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান খালিদ হোসেন সিকদারের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। কুশলী ইউনিয়নবাসী এ কর্মসূচি পালন করে।
শনিবার বেলা ১১টার দিকে খালেকের বাজারে গোপালগঞ্জ-টুঙ্গিপাড়া সড়কের উপর দাঁড়িয়ে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
এ সময় অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান খালিদ হোসেন সিকদারের শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন ধরনের লেখা প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন মানবন্ধনকারীরা।
এ মানববন্ধনে ওই স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী অংশ নেন।
মানববন্ধন চলাকালে স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আহিদুজ্জামান সিকদার, অভিভাবক মো. নাসির উদ্দিন মোল্যা, শিক্ষার্থী আমেনা খানম, ইসরাত জাহান বক্তব্য রাখেন।
এ সময় বক্তরা বলেন, স্কুল মাঠে শিক্ষার্থীদের জন্য গ্যারেজ তৈবির জায়গা দেখার সময় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান গাজীকে লাঞ্ছিত করে ইউপি চেয়ারম্যান খালিদ হোসেন সিকদার। এ ঘটনায় তারা দ্রুত ইউপি চেয়ারম্যানের বিচারের দাবি জানান।
কুশলী ইসলামীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান গাজী বলেন, শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য স্কুল মাঠে গ্যারেজ তৈরির জায়গা দেখতে যাই।
এ সময় ইউপি চেয়ারম্যান খালিদ হোসেন সিকদার আমাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার পাশাপাশি গালিগালাজ করেন।পরে এর সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযোগ দিয়েছি।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান খালিদ হোসেন সিকদার বলেন, স্কুল গ্যারেজ তৈরির বিষয় নয়। এখানে একটি বাথরুম তুলতে চেয়েছিল। স্কুলটি আমার পৈত্রিক জায়গায় ও আমার বাড়ির পাশে। বাথরুমটি আমাদের বাড়ির সামনে তুলতে চেয়েছিল। এ কারণে আমি বাধা দেই। সমানে নির্বাচন থাকায় আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করতে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালানা হচ্ছে।