কুষ্টিয়ায় দেবর-ভাবির যাবজ্জীবন তরুণের ১০ বছরের কারাদন্ড

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থানায় করা রনি (৩০) হত্যা মামলায় সজীব হোসেন (৩২) ও তার ভাবি সীমা খাতুনকে (২৫) যাবজ্জীবন এবং কুষ্টিয়া মডেল থানায় করা কলেজছাত্র আসলান জেলিন (১৮) হত্যা মামলায় তুষার আহম্মেদ ওরফে কানা তুষারকে (২২) ১০ বছর কারাদন্ডাদেশ দিয়েছে আদালত।

গতকাল সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক অরূপ কুমার গোস্বামী এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আদালতের বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত সজীব দৌলতপুরের হায়দারের চরের আলমগীর হোসেনের ছেলে এবং তার ভাবি সীমা প্রবাসী আফাজ উদ্দিনের স্ত্রী। ১০ বছরের দন্ডপ্রাপ্ত তুষার কুষ্টিয়া সদর উপজেলার এনএস রোডের ফরিদ আহম্মেদের ছেলে। তদন্ত প্রতিবেদনে রনি হত্যার রহস্য উদঘাটনে উল্লেখ করা হয়, প্রবাসী আফাজ উদ্দিনের স্ত্রী সীমা খাতুনের সঙ্গে রনির পরকীয় সম্পর্কের চিত্র মোবাইলে ধারণ করার জেরে দেবর সজীব ও ভাবি সীমা মিলে ২০১৮ সালের ২৪ জানুয়ারি রাতে রনিকে হত্যা করে। অন্যদিকে, ২০১৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর দুপুরে কুষ্টিয়া শহরের হেমচন্দ্র লেনের বাসিন্দা মাহবুব ইসলামের ছেলে সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র আসলান জেলিনকে কলেজ থেকে বাইরে ডেকে নিয়ে কিশোর আসামি তুষার আহম্মেদ ওরফে কানা তুষার চাকু দিয়ে উপর্যুপরি আঘাতে খুন করে।