এক বছরে রংপুর মেট্রো পুলিশের দুই কোটি টাকা জরিমানা আদায়

রংপুরে মেট্রো পুলিশের চলতি বছর দুই কোটি টাকা জরিমানা ও প্রায় ষাট হাজার মামলা দায়ের হয়েছে।

রংপুর মেট্রোপুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রংপুর মেট্রোপলিটন ট্রাফিক পুলিশকে উত্তর ও দক্ষিণ নামে দুইটি ইউনিটকে ভাগ করা হয়েছে। নগরীর ১৪টি পয়েন্টে ট্রাফিক পুলিশ চেকপোস্ট বসিয়ে চালকের বৈধতা, গাড়ির লাইসেন্স, হেলমেট, ইন্স্যুরেন্স ও নম্বরবিহীন গাড়ির বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে আসছে।

ই-ট্রাফিকিং এর মাধ্যমে গত জুলাই থেকে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত এক বছরে ২ কোটি ১০ লাখ ৫৫ হাজার ৪৪৪ টাকা জরিমানা আদায় ও ৬০ হাজার ৯৪২টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এছাড়াও ১ হাজার ৬৫৭টি যানবাহন আটক ও ৮২টি মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

এদিকে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের দুই বছর পূর্তিতে ট্রাফিক পুলিশের এমন সাফল্যে তাদের সাধুবাদ জানিয়েছে নগরবাসী।

জানা গেছে, নগরীতে যানজট নিরসন, হেলমেট ব্যবহার, ফুটপাত দখলমুক্ত, জেব্রা ক্রসিং, ওভারব্রিজ দিয়ে পথচারীদের দিয়ে চলাচল, সড়কে চলার সময় মোবাইলে কথা না বলা, মেডিকেল মোড়ের অবৈধ বাসস্ট্যান্ড উচ্ছেদ, সিটি বাজার, জাহাজ কোম্পানি মোড়ের ফুটপাতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, সিএনজি স্ট্যান্ড উচ্ছেদ, নো পার্কিং বোর্ড স্থাপন, লিফলেট বিতরণ, বৃক্ষরোপণ, ভাঙা সড়ক মেরামত, সড়কে চাঁদাবাজি বন্ধসহ নানা রকম কাজ করছে রংপুর মেট্রোপলিটন ট্রাফিক পুলিশ।

ট্রাফিক পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১ বছরে কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আব্দুল আলীম মাহমুদের কাছ থেকে বিভিন্ন পুরস্কার অর্জন করেন। ফলে সীমিত জনবল ও নানা সীমাবদ্ধতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলেছে ট্রাফিক পুলিশ।

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (ট্রাফিক) মো. মেনহাজুল আলম বলেন, মোট ৯৮ জন জনবল ও নানা সীমাবদ্ধতার মধ্য দিয়ে ট্রাফিক পুলিশ এগিয়ে চলছে। সড়কে নিরাপত্তা, চেকপোস্ট বসিয়ে চালকের বৈধতা, গাড়ির লাইসেন্স, হেলমেট, ইন্স্যুরেন্স ও নম্বরবিহীন গাড়ির বিরুদ্ধে অভিযান ও নগরীতে যানজট নিরসনের কাজ করছে। যা অব্যাহত রয়েছে।

এ ব্যাপারে আরপিএমপির ট্রাফিক ইনচার্জ দেলোয়ার হোসেন বলেন, সড়কে চালকগণ নিজের এবং যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালানো বন্ধ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, ট্রাফিক পুলিশের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।