হাতেনাতে ধরা ধর্ষককে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার কাঁকনহাট পৌরসভার এক কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার পর ধর্ষণের শিকার সখিনা বেগম (৩৫) নামে ওই গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন। গত বুধবার রাতে পৌর এলাকার ১ নম্বর ওয়ার্ডের ঘিয়াপুকুর মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে গোদাগাড়ী থানায় গৃহবধূর বাবা ওয়ার্ড কাউন্সিলর লুৎফর রহমান বিশু, তার দুই সহযোগী আকবর আলী ও মেরাজুল ইসলাম এবং ধর্ষণে অভিযুক্ত মফিজুল ইসলামের নামে মামলা করেছেন। পরে পুলিশ কাউন্সিলর ও তার সহযোগীদের গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।
স্থানীয়রা জানায়, ঘিয়াপুকুর মহল্লার আতাউর রহমানের ছেলে মফিজুল ইসলাম বুধবার রাতে দুই সন্তানের মা সখিনা বেগমের ঘরে ঢুকে ধর্ষণ করে। তার চিৎকারে প্রতিবেশী আকবর আলী ও মেরাজুল ইসলাম গিয়ে মফিজুলকে হাতেনাতে ধরেন। পরে তারা মফিজুলকে স্থানীয় কাউন্সিলর লুৎফর রহমানের কাছে নিয়ে যান। কাউন্সিলর তাদের সঙ্গে যোগসাজশ করে মফিজুলকে ছেড়ে দেন। ক্ষোভে রাতেই সখিনা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। তার স্বামী কামাল হোসেন চাকরির সুবাদে চট্টগ্রামে থাকেন বলেও জানায় স্থানীয়রা।
জেলা পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আবদুর রাজ্জাক খান জানান, বৃহস্পতিবার রাতে মামলার পর কাউন্সিলর ও তার দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। প্রধান আসামি মফিজুলকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালছে জানিয়ে তিনি বলেন, লাশ ময়নাতদন্ত হয়েছে। ধর্ষণের প্রাথমিক আলামত পাওয়া গেছে। তদন্তের জন্য ওই গৃহবধূর ডিএনএ সংগ্রহ করা হয়েছে।
মাগুরায় প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ : মাগুরা শহরের মোল্যাপাড়ায় গত বৃহস্পতিবার রাতে এক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে (১৪) ধর্ষণের অভিযোগ টিটো কাজী (৪০) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার এসআই পরিষ্কার বিশ্বাস জানান, রাত ৮টার দিকে টিটো কাজী নামে ওই ব্যক্তি পাশাপাশি কক্ষে ভাড়া থাকা শারীরিক প্রতিবন্ধী ওই কিশোরীকে জোরপূর্বক নিজ কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করে। পরে স্থানীয়রা টিটোকে ধরে পুলিশে দেয়। এ ঘটনায় নির্যাতনের শিকার মেয়েটি বাদী হয়ে মামলা করেছে।