খাবার গরম করার পাশাপাশি, নানা ধরনের খাবার তৈরির কাজেও ব্যবহৃত হয় মাইক্রোওয়েভ ওভেন। তবে ওভেনে খাবার বানানো বা গরম করায় পুষ্টি বা স্বাদ পাওয়া যায় না। এ নিয়ে রইল কিছু তথ্য-
খাবারের স্বাদ
মাইক্রোওয়েভ ফ্রিকোয়েন্সি রেঞ্জের মাধ্যমে ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন ছড়িয়ে খাবার গরম করা বা রান্না করার কাজ করে। রান্না সময়মতো হলেও চুলায় রান্না করায় খাবারের যে আসল স্বাদ পাওয়া যায় তা মাইক্রোওয়েভে পাওয়া যায় না।
পুষ্টিগুণ
মাইক্রোওয়েভে বেশি সময় ধরে খাবার গরম করলে খাবারের বিভিন্ন পুষ্টিগুণ ও ভিটামিন বি১২ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
প্লাস্টিকের পাত্র
প্লাস্টিকে রয়েছে প্যাথালেটস নামে ক্ষতিকর এক ধরনের রাসায়নিক যা মাইক্রোওয়েভের গরমে খাবারের সঙ্গে মিশে যায়। এই রাসায়নিক শরীরে প্রবেশ করলে হরমোনের সমস্যা, ইনসুলিন রেসিস্ট্যান্স, বন্ধ্যত্ব, অ্যাজমার মতো নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই মাইক্রোওয়েভে কখনোই প্লাস্টিকের পাত্র ব্যবহার করা উচিত নয়। খাবার গরমের জন্য কাঁচ বা সিরামিকের বাটি ব্যবহার করুন।
ব্যাকটেরিয়া
মাইক্রোওয়েভে খাবার গরম করলে খাবারের সব জায়গায় সমানভাবে তাপ পৌঁছায় না। ফলে, তাপের কারণে মরে যাওয়া ব্যাকটেরিয়াগুলো খাবারের সব জায়গা থেকে পুরোপুরি নির্মূল হয় না। আর এ কারণেই, ব্যাকটেরিয়া শরীরে প্রবেশ করে নানা রকম সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। মাইক্রোওয়েভের রেডিয়েশন সুইচ অফ করার সঙ্গে সঙ্গেই বন্ধ হয়ে যায়। তাই সঠিক পাত্র বাছাই করে তাতে গরম করা খাবার আপনি খেতে পারেন।৪
ওভেনের খাবারে সতর্কতা
খাবার গরম করার পাশাপাশি, নানা ধরনের খাবার তৈরির কাজেও ব্যবহৃত হয় মাইক্রোওয়েভ ওভেন। তবে ওভেনে খাবার বানানো বা গরম করায় পুষ্টি বা স্বাদ পাওয়া যায় না। এ নিয়ে রইল কিছু তথ্য-
খাবারের স্বাদ
মাইক্রোওয়েভ ফ্রিকোয়েন্সি রেঞ্জের মাধ্যমে ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন ছড়িয়ে খাবার গরম করা বা রান্না করার কাজ করে। রান্না সময়মতো হলেও চুলায় রান্না করায় খাবারের যে আসল স্বাদ পাওয়া যায় তা মাইক্রোওয়েভে পাওয়া যায় না।
পুষ্টিগুণ
মাইক্রোওয়েভে বেশি সময় ধরে খাবার গরম করলে খাবারের বিভিন্ন পুষ্টিগুণ ও ভিটামিন বি১২ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
প্লাস্টিকের পাত্র
প্লাস্টিকে রয়েছে প্যাথালেটস নামে ক্ষতিকর এক ধরনের রাসায়নিক যা মাইক্রোওয়েভের গরমে খাবারের সঙ্গে মিশে যায়। এই রাসায়নিক শরীরে প্রবেশ করলে হরমোনের সমস্যা, ইনসুলিন রেসিস্ট্যান্স, বন্ধ্যত্ব, অ্যাজমার মতো নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই মাইক্রোওয়েভে কখনোই প্লাস্টিকের পাত্র ব্যবহার করা উচিত নয়। খাবার গরমের জন্য কাঁচ বা সিরামিকের বাটি ব্যবহার করুন।
ব্যাকটেরিয়া
মাইক্রোওয়েভে খাবার গরম করলে খাবারের সব জায়গায় সমানভাবে তাপ পৌঁছায় না। ফলে, তাপের কারণে মরে যাওয়া ব্যাকটেরিয়াগুলো খাবারের সব জায়গা থেকে পুরোপুরি নির্মূল হয় না। আর এ কারণেই, ব্যাকটেরিয়া শরীরে প্রবেশ করে নানা রকম সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। মাইক্রোওয়েভের রেডিয়েশন সুইচ অফ করার সঙ্গে সঙ্গেই বন্ধ হয়ে যায়। তাই সঠিক পাত্র বাছাই করে তাতে গরম করা খাবার আপনি খেতে পারেন।