খিচুড়ি রান্না প্রশিক্ষণের জন্য নয়, অন্যান্য দেশ স্কুলে মিড ডে মিল (দুপুরের খাবার) কীভাবে বাস্তবায়ন করে, সে অভিজ্ঞতা অর্জনে বিদেশে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তবে এক্ষেত্রে মোট প্রকল্পের অতি অল্প অর্থ ব্যয় ধরা হয়েছে। এ অর্থ ব্যয় কোনো অপচয় নয় বরং অভিজ্ঞতা অর্জনে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাটা রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আকরাম-আল-হোসেন। গতকাল সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
এর আগে খিচুড়ি রান্না শিখতে বিদেশে ভ্রমণে যাচ্ছেন এই প্রকল্পের কর্মকর্তারা এমন খবর প্রকাশ পাওয়ায় সমালোচনার সৃষ্টি হয়। সমালোচনার বিষয়টি পরিষ্কার করতে গতকাল সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন জ্যেষ্ঠ সচিব।
আকরাম-আল-হোসেন বলেন, এ প্রকল্পের কোনো অর্থ এখনো ছাড় হয়নি। পরিকল্পনা কমিশন কিছু জিজ্ঞাসা পাঠিয়েছে। তার জবাব পাঠানো হবে। এরপর একনেকে চূড়ান্ত অনুমোদন হবে।
তিনি বলেন, স্কুল ফিডিং প্রকল্প ১০৪টি উপজেলায় চালু ছিল, যা ডিসেম্বরে শেষ হচ্ছে। আগামী বছর থেকে সারা দেশে নির্বাচনী ইশতেহার মতে সব স্কুলে দুপুরের খাবার দেওয়া হবে। এর বাস্তবায়ন সঠিকভাবে করার জন্য ভারতসহ যেসব দেশ মিড ডে মিল চালু করেছে, সেসব দেশ থেকে অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য বেশ কিছু কর্মকর্তার এ প্রশিক্ষণের কম্পোনেন্ট রাখা হয়েছে, যোগ করেন আকরাম-আল-হোসেন।
এর আগে গত সোমবার গণমাধ্যমকে স্কুল ফিডিং কার্যক্রমের প্রকল্প পরিচালক মো. রুহুল আমিন বলেছিলেন, এশিয়ার বিভিন্ন দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয় কীভাবে খিচুড়ি রান্না করে, এর পরিবেশ ও পরিবেশন দেখতে এই প্রকল্পের আওতায় বেশ কিছু কর্মকর্তা বিদেশ সফর করবেন। কবে কতজন বিদেশ সফর করবেন সে বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।