ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণে কমার্শিয়াল কাউন্সিলরদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম। তিনি বলেছেন, বর্তমানে পণ্যের বহুমুখীকরণের কারণে অনেক বেশি পণ্য রপ্তানির সুযোগ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে অন্য দেশগুলোর সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়াতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে বিভিন্ন দেশে নতুনভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত কমার্শিয়াল কাউন্সিলররা ভূমিকা রাখতে পারেন।
গতকাল রবিবার চট্টগ্রামের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের বঙ্গবন্ধু হলে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে কমার্শিয়াল কাউন্সিলরদের প্রতি এ আহ্বান জানান চেম্বার সভাপতি। এ সময় চেম্বার পরিচালক নাজমুল করিম চৌধুরী শারুন ও সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব আবদুর রহিম খান ও উপসচিব সৈয়দা নাহিদা হাবিবা, আমেরিকার লস অ্যাঞ্জেলেসে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল অফিসের কমার্শিয়াল কাউন্সিলর খুরশিদুল আলম, কোরিয়ার সিউল দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সিলর ড. মো. মিজানুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
চেম্বার সভাপতি বলেন, আপনারাই বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন। দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ অর্থনৈতিক অঞ্চল মিরসরাই ইকোনমিক জোনে বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য আপনাদেরই মার্কেটিং করতে হবে।
আবদুর রহিম খান বলেন, ১৫ বছরে বাংলাদেশে বেসরকারি ও সরকারি খাতের সম্পর্কের অনেক উন্নতি হয়েছে। নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত কাউন্সিলররা আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্যে বাংলাদেশকে তুলে ধরতে সফল হবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। এতে বিদ্যমান সুবিধার সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
এ সময় কাউন্সিলররা আমেরিকায় জিএসপি সুবিধা পুনর্বহাল, কোরিয়ায় বাংলাদেশি মৎস্য, কাঁকড়া ইত্যাদি রপ্তানিতে সহায়তা করা, ইরানের সঙ্গে জয়েন্ট চেম্বার কার্যক্রম স্থাপন, মিয়ানমার থেকে ভোগ্যপণ্য আমদানি, বেলজিয়ামে রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণ এবং চীনের সঙ্গে ব্যবসা সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করার কথা জানান।