অনুরাগ কাশ্যপ-পায়েল ঘোষ বিতর্কের সূত্র ধরে আবারও বলিউডে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে ‘মি টু’ আন্দোলন। বন্ধ ঘরে অশালীন আচরণ করেছিলেন অনুরাগ। এমনই অভিযোগ করেন অভিনেত্রী পায়েল ঘোষ। তার সমর্থনে সোচ্চার হয়েছেন কঙ্গনা রানাউত এবং রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় দু’জনকেই ধন্যবাদ জানিয়েছেন পায়েল। এমন পরিস্থিতিতে বাঙালি অভিনেত্রীর পাশে দাঁড়াতে গিয়ে ছন্দপতন ঘটালেন আরেক অভিনেত্রী রূপা দত্ত। অনুরাগ কাশ্যপের শাস্তির দাবি জানিয়ে টুইটারে তার সঙ্গে কথোপকথনের যে স্ক্রিনশট অভিনেত্রী দিয়েছিলেন তা আসলে অনুরাগের নয়, অন্য কারও প্রোফাইলের। এমনটাই দাবি এক সংবাদমাধ্যমের।
ফেসবুকের ডিরেক্ট মেসেজের স্ক্রিনশট শেয়ার করেছেন রূপা। যেখানে ‘অনুরাগ সফর’ নামে প্রোফাইলের সঙ্গে তার চ্যাট দেখানো হয়েছে। চ্যাটে অনুরাগ নামের ওই ব্যক্তি নিজেকে ‘মহিলা বিশেষজ্ঞ’ হিসেবে দাবি করেছেন। চ্যাটের স্ক্রিনশট শেয়ার করে ক্যাপশনে রূপা লেখেন পায়েলের যাবতীয় অভিযোগ সত্যি। অনুরাগকে তিনি বহু আগেই ভালো করে চিনে গিয়েছিলেন। এমন মানুষের কঠিন শাস্তি হওয়া উচিত। অনুরাগ নিজে মাদক নেন এবং অন্যদেরও দেন বলে অভিযোগ করেন রূপা। NCB কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে তদন্ত করার আবেদন জানান। কিন্তু ফেসবুকে অনুরাগের প্রোফাইলের নাম ‘অনুরাগ কাশ্যপ ২.০’। সেটিই পরিচালকের একমাত্র ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইল। আগেও অনুরাগের অন্য কোনো নামে প্রোফাইল ছিল না বলে দাবি এক সংবাদমাধ্যমের। সেই খবর রিটুইট করেছেন পরিচালক নিজে।
অনুরাগ ইস্যুতে কঙ্গনা রানাউত এবং বিজেপি সাংসদ রূপা গঙ্গোপাধ্যায় পায়েলের পাশে দাঁড়ালেও তাপসী পান্নু, কল্কি কোয়েচলিন, রিচা চড্ডা, রাধিকা আপ্তে, সায়নী গুপ্তর মতো অভিনেত্রীরা পরিচালকের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এই তালিকায় শামিল হলেম হুমা কুরেশিও। অনুরাগ তার সঙ্গে কোনোদিন অযাচিত ব্যবহার করেননি বলে বিবৃতি দেন হুমা। পাশাপাশি এই ঘটনায় তার নামের উল্লেখ করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী। অনুরাগের সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করা জয়দীপ সরকারও পরিচালকের সমর্থনে টুইট করে জানান, ২০০৪ সালে এক অভিনেত্রী চরিত্র পাওয়ার জন্য অনুরাগের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু অনুরাগ শোনা মাত্রই তাকে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।