খাগড়াছড়িতে ডাকাতিকালে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনার ‘ক্লু উদঘাটন’

খাগড়াছড়ি জেলা সদরের বলপাইয়া আদামে এক পাহাড়ি বাড়িতে ডাকাতি ও গণধর্ষণ ঘটনার নেপথ্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। ঘটনায় ৯ জন পেশাদার ডাকাত অংশ নেয় এবং ডাকাতি ও একই সঙ্গে ধর্ষণই তাদের উদ্দেশ্য ছিল বলে জানান খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার মো. আব্দুল আজিজ।

চাঞ্চল্যকর ঘটনা নিয়ে রবিবার সকালে খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ব্রিফিং করেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন ও খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার মো. আব্দুল আজিজ।

পুলিশ সুপার আব্দুল আজিজ সংবাদ সম্মেলনে জানান, গত বুধবার দিবাগত মধ্যরাতে সংঘটিত ঘটনার পরপরই পুলিশ ব্যাপক অভিযান চালিয়ে জড়িতদের মধ্যে খাগড়াছড়ির বিভিন্ন এলাকা এবং চট্টগ্রাম থেকে ৭জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে স্বর্ণ বিক্রয়ের টাকা, লুণ্ঠিত টাকা এবং মোবাইল সেটসহ ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র উদ্বার করা হয়।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন জানান, এর সাথে রাজনৈতিক কোনো সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি।

এদিকে আজ দুপুরে পুলিশের হাতে আটক ধর্ষক ৭ ডাকাতকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হবে।

এর আগে গতকাল বিকেলে গণধর্ষণের শিকার বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী নারীকে (২৬) খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। পরে আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি নিয়ে মায়ের হেফাজতে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হয়।