ই-কমার্স সাইট ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. রাসেল পরিচালিত ব্যাংক হিসাবের ওপর স্থগিতাদেশ নতুন করে বাড়ায়নি বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। ফলে তাদের ব্যাংক হিসাবে আগের মতোই স্বাভাবিক লেনদেনে আর বাধা নেই।
গত ২৭ আগস্ট ইভ্যালির বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ ওঠায় প্রতিষ্ঠানটিসহ এর চেয়ারম্যান ও এমডি পরিচালিত সব ব্যাংক হিসাব ৩০ দিনের জন্য স্থগিত করার নির্দেশ দিয়েছিল বিএফআইইউ। দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে চিঠি দিয়ে এ নির্দেশ দেয় তারা।
এ প্রসঙ্গে গতকাল সোমবার বিএফআইইউ প্রধান আবু হেনা মোহাম্মদ রাজী হাসান বলেন, আমরা নতুন করে প্রতিষ্ঠানটির ব্যাংক হিসাবের স্থগিতাদেশ বৃদ্ধি করিনি। প্রতিষ্ঠানটির ব্যাপারে কিছু অভিযোগ ছিল, সে কারণে আমরা খতিয়ে দেখার উদ্দেশ্যে ৩০ দিন স্থগিত করেছিলাম। আমরা সংশ্লিষ্ট কর্র্তৃপক্ষকে রিপোর্ট দিয়েছি এবং প্রতিষ্ঠানটির ব্যাংক হিসাবের স্থগিতাদেশও বৃদ্ধি করিনি।
ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. রাসেল বিএফআইইউর এমন সিদ্ধান্তে সন্তোষ প্রকাশ করে দেশ রূপান্তরকে বলেন, ইভ্যালির বিরুদ্ধে কোনো অপপ্রচারে কান না দেওয়ার জন্য গ্রাহকদের অনুরোধ করছি। আমরা সততার সঙ্গে সাধারণ মানুষের কল্যাণে নতুন ধারার একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠা করেছি। খুব অল্প সময়ের মধ্যে গ্রাহকরা আমাদের ওপর যে আস্থা রেখেছেন সেই আস্থার প্রতিদান দেওয়াই আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ।
পণ্য কিনলেই অর্থ ফেরতের অস্বাভাবিক ‘ক্যাশব্যাক’ অফার দিয়ে ব্যবসা করছে বাংলাদেশি ডিজিটাল বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি। ১০০ থেকে ১৫০ শতাংশ পর্যন্ত ক্যাশব্যাক অফার দেওয়া হচ্ছে। এ ধরনের ব্যবসায়িক পলিসি বাজারে ব্যবসার প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে বিরূপ প্রভাব বিস্তার করে একচেটিয়া (মনোপলি) অবস্থার সৃষ্টি করছে ইভ্যালি, যা আইনের বরখেলাপ বলে মনে করে প্রতিযোগিতা কমিশন। এ অবস্থায় গত ২৫ আগস্ট প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) বরাবর চিঠি পাঠায় সংস্থাটি।