পুষ্টি উন্নয়নে ৭ চ্যালেঞ্জে ব্যাহত হতে পারে এসডিজি অর্জন

মোট জাতীয় উৎপাদন (জিডিপি), মাথাপিছু আয় বাড়লেও পুষ্টি উন্নয়নের ক্ষেত্রে এখনো বেশ পিছিয়ে দেশ। এ ক্ষেত্রে এখনো সাত চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান। এগুলো হলো গ্লোবাল হাঙ্গার সূচকে-২০১৯-এর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের র‌্যাংকিং ১১৭ এর মধ্যে ৮৮, গ্লোবাল ফুড সিকিউরিটি-২০১৯ সূচকে বাংলাদেশের র‌্যাংকিং ১১৩ এর মধ্যে ৮৩, পুষ্টিকর খাবারে ব্যয় করার ক্ষমতা শহরের তুলনায় গ্রামে কম হওয়া, স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণে আয়ের কম অংশ ব্যয় করা, খাবার হিসেবে প্রধানত চালের ওপর নির্ভরশীল হওয়া, দুধ, ডিম, ফল ও ডাল কম খাওয়া এবং চিনি বা শর্করা জাতীয় খাবার বেশি নির্ভরশীল হওয়া। পুষ্টির ক্ষেত্রে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে না পারলে সরকারের সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন ব্যাহত হতে পারে।

গতকাল সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘শিল্প কারখানায় পুষ্টিকর ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ’বিষয়ক আলোচনা সভায় বক্তারা এ তথ্য তুলে ধরেন। শ্রম ও কর্ম সংস্থান মন্ত্রণালয় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ওই মন্ত্রণালয়রে সচিব কেএম আবদুস সালাম। আয়োজনে সহযোগিতায় ছিল সুইজারল্যান্ডভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ইমপ্রুভড নিউট্রিশন (গেইন)।

কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত সচিব) শিবনাথ রায়ের সভাপতিত্বে আলোচনায় বক্তব্য রাখেন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের যুগ্ম মহাপরিদর্শক ড. মো. মুস্তাফিজুর রহমান, আইসিডিডিআর,বির সহযোগী বিজ্ঞানী ড. মুত্তাকিনা হোসাইন, গেইন-বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ডা. রুদাবা খন্দকার, বাংলাদেশ এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন অথরিটির (বেপজা) মহাব্যবস্থাপক নাজমা বিনতে আলমগীর, মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব খন্দকার মোস্তাইন হোসেন প্রমুখ।