কৃষি বিপণন অধিদপ্তর নিজস্ব অনলাইন মার্কেটপ্লেস তৈরির কাজ করছে। সেখানে নারীদেরও প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। দেশের ৬৪ জেলায় ভবিষ্যতে কৃষকের বাজার স্থাপনের কাজ চলছে, যেখানে সরাসরি কৃষক তার উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করতে পারবেন।
গতকাল সোমবার ‘গ্রামীণ নারী কৃষি উদ্যোক্তা ও কভিড-১৯ : একটি পথনির্দেশনা’ শিরোনামে ওয়েবিনারে এ কথা জানান কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ ইউসুফ। এ সময় অনলাইনে নারী উদ্যোক্তাদের পণ্য ও সেবা বিক্রিতে সফলতা আনতে তাদের প্রশিক্ষণে জোর দেন তিনি। বলেন, প্রশিক্ষণ না দিলে নারীরা ‘অনলাইন মার্কেটপ্লেসে’ সফলতা পাবেন না।
বিপণন ডাকসেবা চালু করার উদ্যোগের কথা তুলে ধরে কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের ডিজি বলেন, এর মধ্যে ‘ফারমার্স মার্কেটিং গ্রুপ’ স্থাপন করা হয়েছে; প্রাইসিং পলিসি বাস্তবায়নের কাজ চলছে। এক্ষেত্রে সফলতা পেতে কর্মপরিকল্পনা সাজিয়ে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার সহযোগিতায় সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর জোর দেন তিনি।
সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার সামনে করোনাকালে নারী উদ্যোক্তাদের বাজার সম্প্রসারণে সাফল্য ও কার্যকারিতা তুলে ধরে একটি যুৎসই পথনির্দেশনা পেতে অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ ও মার্কেট ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (এমডিএফ) এ ওয়েবিনার আয়োজন করে। আলোচনায় জয়িতা ফাউন্ডেশনের পরিচালক মাকসুদা খাতুন বলেন, আমরা নারীবান্ধব বিপণন নেটওয়ার্ক তৈরির কাজ করছি এবং অদূর ভবিষ্যতে বিদেশে পণ্য বিপণনের পরিকল্পনাও রয়েছে।
ওয়েবিনারে অংশ নেন নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের সিনিয়র পলিসি অ্যাডভাইজার এ কে ওসমান হারুনী, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি ব্যবসা ও বিপণন বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।