চালের মূল্য নিয়ন্ত্রণে মজুদবিরোধী আইন প্রয়োগের দাবি ওয়ার্কার্স পার্টির

চালের মূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোরভাবে সিন্ডিকেট দমন ও মজুদবিরোধী আইন প্রয়োগের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি চট্টগ্রাম জেলা শাখা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের মাধ্যমে খাদ্যমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দিয়ে এ বিষয়ে আট দফা দাবি জানান নোতারা।

চালের মূল্যবৃদ্ধি রোধে ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবিতে দলের কেন্দ্রঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ে স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলার সাধারণ সম্পাদক শরীফ চৌহান, জেলা কমিটির সদস্য শামসুল আলম, অধ্যাপক শিবু কািন্ত দাশ, যুব মৈত্রী চট্টগ্রাম জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক খোকন মিয়া প্রমুখ। জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের পক্ষে স্মারকলিপি গ্রহণ করেন জেলা সহকারী খাদ্য নিয়ন্ত্রক রূপান্তর চাকমা।

ওয়ার্কার্স পার্টি চট্টগ্রাম জেলার সাধারণ সম্পাদক শরীফ চৌহান বলেন, চালের দাম বাড়বে এই ধারণায় বিপুল পরিমাণ ধান-চাল মজুদ করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে চালের দাম রাখতে হলে অবিলম্বে মজুদবিরোধী আইন প্রয়োগ করতে হবে। পাশাপাশি মজুদ করা খাদ্যদ্রব্য উদ্ধার করে মজুদকারীদের দণ্ডিত করলে চালের বাজারের সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে আসবে।

আট দফা দাবির মধ্যে রয়েছে সরকারি ধান-চাল ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রায় যে ঘাটতি রয়েছে তা পূরণ, চালকল মালিকদের চুক্তিমতো চাল দিতে বাধ্য করা, অন্যথায় জামানত বাজেয়াপ্ত জরিমানাসহ দণ্ডাদেশ প্রদান, মজুদবিরোধী আইন প্রয়োগে মজুদ করা খাদ্য উদ্ধার ও মজুদকারীকে দণ্ড প্রদান, চালের বাজারে সক্রিয় সিন্ডিকেট কঠোর হস্তে দমনসহ বছরের ৫ মাস ১০ টাকা কেজি মূল্যে ৩০ কেজি চাল প্রদানের কর্মসূচি বছরব্যাপী বিস্তারিত করা এবং সারা দেশে রেশনিং ব্যবস্থা চালু করা ইত্যাদি।