ত্বকের যত্নে ক্লিনজিং, টোনিং আর ময়েশ্চারাইজিংয়ের জন্য ঘরোয়া উপকরণ ব্যবহার করতে পারেন। আর এই ঘরোয়া প্রোডাক্টের কার্যকারিতাও অনেক বেশি। লিখেছেন বিউটি ব্লগার নাহিন ইসলাম
ক্লিনজার
তৈলাক্ত ত্বকের যত্নে বেসন, দুধ আর হলুদের গুঁড়ো মিশিয়ে বানিয়ে নিন ক্লিনজার। তৈরি মিশ্রণটি মুখে মেখে তিন মিনিট রেখে এরপর ভালোভাবে ঘষে তুলে ফেলুন। স্বাভাবিক, শুষ্ক ও মিশ্র ত্বকের জন্য ঠাণ্ডা দুধে তুলো ডুবিয়ে মুখ মুছে নিন। মিনিট-পাঁচেক অপেক্ষা করে বার-কয়েক পানির ঝাপটা দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
টোনার
চাল ধোওয়া পানি ত্বকের জন্য খুব ভালো টোনার। চাল ধোওয়ার সময় প্রথমবার পানি পালটে নিন। দ্বিতীয়বার চাল ধুইয়ে পানি রেখে দিন। অথবা চাল ভিজিয়ে রেখে সেই পানিও ব্যবহার করতে পারেন। এই পানি ছেঁকে লেবুর রস এবং গোলাপজল মিশিয়ে বোতলে ভরে ফ্রিজে রাখুন। সব ধরনের ত্বকে এই টোনার ব্যবহার করতে পারেন।
ময়েশ্চারাইজার
মধু, অ্যালোভেরা জেল এবং সামান্য গ্লিসারিন মিশিয়ে ত্বকে এই মিশ্রণ লাগিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে নিন। যদি ত্বক শুষ্ক প্রকৃতির হয়, তবে মধু না মিশিয়ে বাকি দুই উপকরণের মিশ্রণ ব্যবহার করুন। গ্লিসারিনের পরিবর্তে কয়েক ফোঁটা আমন্ড অয়েল বা অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিতে পারেন। মধু ব্যবহার না করলে মুখ ধোওয়ারও প্রয়োজন হবে না।
স্ক্রাব
ওটমিল, কফি, গ্রিন-টি, কমলালেবুর শুকনো খোসা, বেকিং সোডা, দানাদার চিনি খুব ভালো স্ক্রাব। শুষ্ক ও স্বাভাবিক ত্বকে মধু এবং তৈলাক্ত ও মিশ্র ত্বকে টকদই মিশিয়ে এই স্ক্রাব বানিয়ে ব্যবহার করুন। সপ্তাহে একদিন এই স্ক্রাব ব্যবহার করতে পারেন।
মাস্ক
টকদই, আলুর রস, পাকা পেঁপে বাটা একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগাতে পারেন সপ্তাহে একবার। শুকিয়ে গেলে ভেজা হাত দিয়ে ঘষে ধুয়ে নিন। পাকা পেঁপে না পেলে টমেটো বাটাও মিশিয়ে নিতে পারেন। স্বাভাবিক ত্বকে এই মাস্ক খুব ভালো কাজ করবে। তৈলাক্ত ত্বকে অল্প চালের গুঁড়ো, লেবুর রস এবং ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন আর মিশ্র ত্বকের ক্ষেত্রে চন্দনগুঁড়ো, গোলাপজল এবং টি-ট্রি অয়েল মিশিয়ে ব্যবহার করা যায়।