কক্সবাজারের টেকনাফে ছাত্রীকে (৯) ধর্ষণের অভিযোগে নুরুল হক (২৫) নামে এক রোহিঙ্গা শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে বিকেলে টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়ার উত্তর শিলখালী আলহেরা ইবতেদায়ি নুরানি মাদ্রাসার ভেতরে ধর্ষণের এ ঘটনা ঘটে। ওই মাদ্রাসার মৌলবি নুরুল হক টেকনাফ উপজেলার সাতঘড়িয়াপাড়া এলাকার আবু জাফরের ছেলে।
জানা যায়, বাহারছড়া উত্তর শিলখালী আলহেরা ইবতেদায়ি নুরানি মাদ্রাসার মৌলবি রোহিঙ্গা নুরুল হক বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় চতুর্থ শ্রেণির ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে। রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটি বাড়িতে গিয়ে তার মাকে এ ঘটনা জানায়। পরে মুমূর্ষু অবস্থায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়।
সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. নওশাদ রিয়াদ জানান, শিশুটির প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। টেকনাফ থানার ওসি হাফিজুর রহমান জানান, অভিযোগ পেয়ে রাত ৯টায় নুরুল হককে আটক করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
আশুলিয়ায় শিশু ধর্ষণ : আশুলিয়ায় ১০ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মিজানুর রহমান মিরু (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে জামগড়া মোল্লাবাজার এলাকার জজ মিয়ার বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। মিজান পাবনার বেড়া উপজেলার ব্যাড়াদিয়া গ্রামের ওয়াজ শেখের ছেলে। ভুক্তভোগী ওই শিশুটি স্থানীয় একটি স্কুলের চতুর্থ শ্রেণিতে লেখাপড়া করে।
জানা যায়, শিশুর পরিবার ও মিজান পাশাপাশি কক্ষে থাকত। বাবা গাজীপুর এলাকায় একটি কোম্পানিতে চাকরি করেন আর মা স্থানীয় একটি মার্কেটে কাপড়ের দোকান করেন। বাবা অফিসে ও মা দোকানে গেলে মেয়েটি বাসায় একাই থাকে। সেই সুযোগে মিজান শিশুকে তার কক্ষে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে। আশপাশের লোকজন টের পেয়ে তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়। আশুলিয়া থানার এসআই কাউছার হামিদ জানান, খবর পেয়ে অভিযুক্ত মিজানকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে।