জামালপুরে মেয়েকে হত্যার আট বছর পর এবার স্ত্রীকে হত্যা করেছেন সাঈদ আলী। গত রবিবার রাত ১০টার দিকে পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের কম্পপুর মধ্যপাড়ায় পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রী ফাতেমা বেগমকে (৩৫) ধারালো অস্ত্রের আঘাতে হত্যা করেন স্বামী সাঈদ আলী।
জামালপুর সদর থানার ওসি মো. সালেমুজ্জামানের ভাষ্যমতে, পৌরসভার কম্পপুর এলাকার মুদি দোকানি সাঈদ আলীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে তার স্ত্রী ফাতেমা বেগমের পারিবারিক কলহ চলছিল। এর জের ধরে রবিবার রাত ১০টার দিকে বসতঘর সংলগ্ন মুদি দোকানে স্ত্রী ফাতেমা বেগমকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা করেন সাঈদ আলী। পরে শোয়ার ঘরে ঘুমন্ত দুই সন্তান সাদিয়া ও শাহাদাতকে রেখে দরজায় তালা দিয়ে পালিয়ে যান। এ সময় বাড়ির বাইরে থাকা অপর সন্তান সাবিনা তার বাবা সাঈদ আলীকে তড়িঘড়ি করে পালিয়ে যেতে দেখে স্থানীয়দের খবর দেয়। পরে স্থানীয়রা তালা খুলে ফাতেমার রক্তাক্ত লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়।
ওসি সালেম বলেন, পুলিশ রাতেই লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। নিহতের বুকের বাম দিকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পারিবারিক কলহের জের ধরে হত্যাকা-ের ঘটনাটি ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, সাঈদ আলী এর আগে ২০১২ সালে সম্পা (৯) নামে নিজ মেয়েকে হত্যা করে কারাভোগ করেন। পরে মামলাটি আপস-মীমাংসার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করে মুক্তি পান তিনি।