ঝিনাইদহের শৈলকুপায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সদ্য পাস করা উলফাত আরা তিন্নি (২৫) ‘হত্যার’ ঘটনার প্রধান আসামি জামিরুল ইসলামকে (৪২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার ভোরে মাগুরার ভায়না মোড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। জামিরুল শৈলকুপা উপজেলার শেখপাড়া গ্রামের কুনিরউদ্দীন শেখের ছেলে এবং তিন্নির মেঝ বোন ইফফাত আরা মিন্নির সাবেক স্বামী।
গতকাল এক ব্রিফিংয়ে ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার মুনতাসিরুল ইসলাম বলেন, ‘নিহতের মায়ের মামলায় প্রধান আসামি জামিরুল মাগুরা থেকে অন্যত্র পালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন গোপন খবরে পুলিশ অভিযান চালায়। সে একটু পরপরই স্থান পরিবর্তন করছিল। এক পর্যায়ে ভোরে ভায়না মোড় থেকে জামিরুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে আদালতে হাজির করে রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে।’
গত ১ অক্টোবর গভীর রাতে শৈলকুপার শেখপাড়া বাজারের বাসিন্দা প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা ইউসুফ আলীর মেয়ে তিন্নির ‘ঝুলন্ত’ লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পরের দিন রাতে তিন্নির মা হালিমা বেগম জামিরুলকে প্রধান আসামি করে ৮ জনের নামে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে শৈলকুপা থানায় মামলা করেন। ওই রাতেই পুলিশ জামিরুলের বড় ভাই আমিরুল ইসলাম, সেজো ভাই নজরুল ইসলাম, মামা খলিলুর রহমান শেখের ছেলে শেখ লাবিদ ও শেখ তন্ময়কে গ্রেপ্তার করে।