টোকিও অলিম্পিকে কোয়ালিফাইয়ের লক্ষ্যে উন্নত প্রতিক্ষণের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যেতে চান গলফার সিদ্দিকুর রহমান। এক বছর সেখানে থেকে অনুশীলন করতে চান। তবে এর জন্য দরকার বড় অঙ্কের অর্থ। তাই বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) কাছে অর্থ সহযোগিতা চেয়েছেন দেশ সেরা গলফার।
করোনা বিরতি কাটিয়ে দেশে অনেক খেলার অনুশীলন শুরু হয়েছে। প্রতিযোগিতামূলক খেলাও ফিরেছে বেশ কয়েকটি। তবে দেশের প্রধান গলফ কোর্স কুর্মিটোলা এখনো খুলে দেওয়া হয়নি গলফারদের জন্য। সিদ্দিকুর রহমান সাভারে নিজ উদ্যোগে অনুশীলন শুরু করেছেন। তবে সেটিও নিজের ব্যাগ নিজে নেটে খেলতে হচ্ছে।
করোনার সার্বিক যে পরিস্থিতি তাতে এশিয়ান ট্যুরের প্রতিযোগিতাগুলোও সহসাই শুরু হওয়ার সম্ভাবনা নেই। সিদ্দিকুর তাই এই সময়টা কাজে লগাতে চান।
শনিবার বিওএ’তে সংবাদ সম্মেলনে বলছিলেন, ‘একের পর এক প্রতিযোগিতা বাতিল হয়ে যাচ্ছে। এশিয়ান ট্যুরের অবস্থা খুবই খারাপ। এই বছর কোনো আসর হবে বলে মনে হচ্ছে না। আগামী বছরের অবস্থাও খারাপ হবে... । তাই বসে না থেকে আমেরিকায় যেতে চাই। আমার স্বপ্ন ইউরোপিয়ান ট্যুরে খেলার।’
২০১৬ রিও অলিম্পিকে সরাসরি খেলেছিলেন সিদ্দিকুর। টোকিও অলিম্পিকেও সরাসরি কোয়ালিফাই করাই লক্ষ্য তার। আর সে জন্যই যুক্তরাষ্ট্রে অনুশীলনের জন্য যেতে চান তিনি, ‘যদি ট্রেনিং করতে পারি, তাহলে পরের অলিম্পিকে জায়গা করে নেওয়ার সুযোগ থাকবে।’
বিওএ’র কাছে ১ লাখ ৬০ হাজার ডলার চেয়েছেন এশিয়ান ট্যুরের দুটি শিরোপা জেতা এই গলফার। তবে ইতিবাচক সারা পাননি এখনো। সহযোগিতা না পেলে নিজ উদ্যোগেই যাবেন বলে জানালেন দেশসেরা গলফার।
বলছিলেন, ‘কোনো সহযোগিতা না পেলে নিজের উদ্যোগে যাব। সে ক্ষেত্রে হয়তো এক বছরের জন্য যেতে পারব না। তিন-চার মাসের জন্য যাব।’
সিদ্দিকুরের যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা থাকলেও ম্যানেজার হিসেবে কাজ করা তার স্ত্রীর ভিসা নেই। এখন স্ত্রীর ভিসার জন্যই অপেক্ষা বলে জানালেন সিদ্দিকুর।