জেলা ফুটবলের দায়িত্ব নিজ কাঁধে নিলেন সালাউদ্দিন

তার সময়ে জেলাগুলোতে ফুটবল হারিয়ে গেছে বলে অভিযোগ সমালোচকদের। নতুন মেয়াদে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি নির্বাচিত হয়ে কাজী সালাউদ্দিন জেলার ফুটবলকে নতুন করে জাগানোর কথা আগেই ঘোষণা করেছেন। সেই দায়িত্ব এবার কাগজে-কলমেও নিজ কাঁধে নিয়েছেন টানা চারবারের সভাপতি।

বাফুফের নির্বাহী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে গত ৩ অক্টোবর। এরপর রবিবার অনুষ্ঠিত হলো নির্বাচিতদের প্রথম সভা। যে সভায় গঠিত হয়েছে বেশ কিছু সাব কমিটি।

বাফুফের আওতাধীন ১৯টি স্ট্যান্ডিং কমিটি ও কমিটির সভাপতিদের নাম ঘোষণা করা হয় এদিন। বেশির ভাগ সাব কমিটিতেই অবশ্য পুরোনো মুখ। তবে আগের তিন দফায় কখনো জেলা ফুটবল লিগ কমিটির দায়িত্ব নিজ কাঁধে রাখেননি সালাউদ্দিন।

আগের মতো পেশাদার লিগ ও অর্থ কমিটির দায়িত্ব থাকছে সিনিয়র সহসভাপতি আবদুস সালাম মুর্শেদীর হাতে। জাতীয় দল ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে বহাল থাকছেন সহসভাপতি কাজী নাবিল আহমেদ।

প্রথমবারের মতো সহসভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়ে আসা আতাউর রহমান ভূঁইয়া ও ইমরুল হাসানকে দেওয়া হয়েছে বড় দায়িত্ব। বসুন্ধরা কিংসের সভাপতি ইমরুল হাসান পেয়েছেন মহানগরী লিগ কমিটির দায়িত্ব। গতবার এ কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন হারুনুর রশিদ। এবার তাকে দেওয়া হয়েছে কমপিটিশন কমিটির দায়িত্ব।

আতাউর রহমান পেয়েছেন উন্নয়ন কমিটির চেয়ারম্যানের পদ। গতবার শুরুতে যা ছিল বাদল রায়ের হাতে। পরে তাকে সরিয়ে নিজেই এই কমিটির দায়িত্ব নেন সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন।

নারী ফুটবলের দায়িত্ব থাকছে যথারীতি মাহফুজা আক্তার কিরণের হাতে। রেফারিজ কমিটির চেয়ারম্যান জাকির হোসেন চৌধুরী, স্কুল কমিটির চেয়ারম্যান বিজন বড়ুয়া এবং বিচ ও ফুটসাল দেখভাল করবেন সদস্য পদে নির্বাচিত হওয়া সত্যজিৎ দাস রুপু।

জেলার ফুটবলের দায়িত্ব নেওয়া প্রসঙ্গে সালাউদ্দিন বলেন, ‘আমি জেলার ফুটবল নিজের হাতে রাখলাম কারণ আমি শুনি, অনেকে বলে জেলার ফুটবল নাকি হয় না। এ জন্য এই কমিটি আমি আমার হাতে রাখলাম। যাতে গ্যাপটা পূরণ করতে কারো ওপর ভরসা করতে না হয়।’