জনগণের সম্মান পেতে বিচার বিভাগকে কাজ করতে হবে : আইনমন্ত্রী

জনগণের সম্মান পেতে বিচার বিভাগের সবাইকে একনিষ্ঠভাবে কাজ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি আরও বলেন, ‘যে সমাজে আইনের শাসন নেই, সেখানে আইনের মর্যাদা ভূলুণ্ঠিত। দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।’ গতকাল বৃহস্পতিবার পটুয়াখালীতে ২৬ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত চারতলাবিশিষ্ট চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবন উদ্বোধকালে প্রধান অতিথি হিসেবে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন আইনমন্ত্রী।

আনিসুল হক বলেন, ‘বিচার বিভাগের উন্নয়ন হলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সুদৃঢ় হওয়ার পাশাপাশি রাষ্ট্রের চার মূলনীতি সুপ্রতিষ্ঠিত হবে। রাষ্ট্রের প্রধান তিনটি অঙ্গ সঠিকভাবে কাজ করতে পারবে, গণতন্ত্রের সঠিক চর্চা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘অবকাঠামো নির্মাণ করাই বিচার বিভাগের শেষ দায়িত্ব নয়। যতক্ষণ পর্যন্ত ন্যায়বিচার জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া না যাবে ততক্ষণ পর্যন্ত আসল সম্মান কিন্তু আমরা পাব না। তাই জনগণের কাছ থেকে আসল সম্মান পাওয়ার জন্য বিচার বিভাগের সবাইকে একনিষ্ঠভাবে কাজ করতে হবে।’

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য হবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এমন এক সমাজতান্ত্রিক সমাজের প্রতিষ্ঠা যেখানে সব নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত হবে। এই সাংবিধানিক অঙ্গীকারের আলোকে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। কারণ আইনের শাসনের মধ্যেই নিহিত রয়েছে আইনের প্রয়োগ ও কার্যকারিতা।’

তিনি  বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার সঙ্গে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতার সঙ্গে বিচার বিভাগের মানোন্নয়ন জড়িত। সেজন্য মানসম্পন্ন বিচারব্যবস্থা নিশ্চিত করে দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পটুয়াখালীর জেলা ও দায়রা জজ রোখসানা পারভীন।