বাংলাদেশিদের জন্য ইতালিতে প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে দেশটির সরকার। গতকাল বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন। করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে ইতালি প্রবাসী অনেকে ছুটিতে দেশে আটকা পড়েছেন। এ খবরে তাদের মধ্যে স্বস্তি এসেছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, ইতালিতে যেসব বাংলাদেশির থাকার বৈধ অনুমতিপত্রের মেয়াদ আছে, তারাই শুধু দেশটিতে যেতে পারবেন। আর যাদের বৈধ অবস্থানের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে তাদের পুনরায় ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে।’ ইতালি পুলিশ যাচাই-বাছাই শেষে আবেদনকারীদের ভিসা দেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে দেশটির পুলিশ যাতে দ্রুত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সে বিষয়ে ঢাকায় অবস্থিত ইতালি দূতাবাস পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে আশ্বস্ত করেছে। তবে ইতালি এখনো নতুন ভিসা আবেদনের প্রক্রিয়া শুরু করেনি।
১১ অক্টোবর ইতালিপ্রবাসীরা দেশটিতে ফেরার দাবিতে ঢাকার গুলশানে ইতালি দূতাবাসের সামনে মানববন্ধন করেন। এ সময় ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধি ও ফ্লাইট চালুর দাবি জানান তারা। প্রায় সাত-আট মাস আটকে পড়ায় অনেকের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্র্তৃপক্ষের (বেবিচক) নীতিমালা অনুসরণ করে গত ১৬ জুন থেকে সীমিত পরিসরে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট শুরু হয়। এ সময় থেকে কাতার এয়ারওয়েজ বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন দেশে যাত্রী পরিবহন করছে। এর মধ্যে অন্যতম গন্তব্য ছিল ইতালি। গত ৬ জুলাই বাংলাদেশ থেকে রোমে যাওয়া একটি ফ্লাইটের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক যাত্রীর শরীরে কভিড-১৯ রোগের উপসর্গ ধরা পড়ে। এতে বাংলাদেশের সঙ্গে সব ধরনের ফ্লাইট বাতিলের ঘোষণা দেয় ইতালি। এরপর ৮ জুন বাংলাদেশ থেকে কাতার হয়ে ইতালিতে যাওয়া দুটি ফ্লাইটের ১৬৮ বাংলাদেশিকে ফিরিয়ে দেয় দেশটি।