৮৩ বিদেশফেরতের বিরুদ্ধে ৫৪ ধারার মামলা স্থগিত

ভিয়েতনাম ও কাতারফেরত ৮৩ বাংলাদেশির বিরুদ্ধে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় করা মামলার সব কার্যক্রম তিন মাসের জন্য স্থগিত করেছে উচ্চ আদালত। একই সঙ্গে ওই মামলা কেন বাতিল ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। দুই সপ্তাহের মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। ভিয়েতনামফেরত এক প্রবাসীর করা আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেয়।

আদালতের আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারওয়ার হোসেন বাপ্পী।

গত ১৮ আগস্ট ভিয়েতনাম ও কাতার থেকে ১০৬ বাংলাদেশিকে ঢাকায় ফেরত পাঠানো হয়। করোনাভাইরাস সংক্রমণরোধে তাদের সবাইকে উত্তরা দিয়াবাড়ী ক্যাম্পে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়। ৩১ আগস্ট তাদের কোয়ারেন্টাইন শেষ হয়। এর মধ্যে বিদেশে অপরাধ করেছেন পুলিশের এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ১০৬ জনের মধ্যে ৮৩ জনকে ৫৪ ধারায় সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার করে রাজধানীর তুরাগ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। তাদের মধ্যে ৮১ জন ভিয়েতনামফেরত। দুজন এসেছেন কাতার থেকে। ১ সেপ্টেম্বর ঢাকার একটি আদালত শুনানি শেষে ৮৩ জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়। ৫৪ ধারায় মামলার কার্যক্রম বাতিল চেয়ে ১৮ অক্টোবর হাইকোর্টে আবেদন করেন বিদেশফেরত একজন মো. রহমান। ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া সাংবাদিকদের বলেন, ‘তদন্তসহ মামলার সব কার্যক্রম তিন মাসের জন্য স্থগিত করেছে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ওই মামলা কেন বাতিল ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছে আদালত। দুই সপ্তাহের মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।’