মিয়ানমারে আগামী ৮ নভেম্বরের সাধারণ নির্বাচনে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা ও রাখাইন জাতিগোষ্ঠীকে অংশগ্রহণ করতে না দেওয়ায় উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘ। গতকাল মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে সংস্থাটি এ উদ্বেগ জানায়। এতে বলা হয়, নির্বাচনকে মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক উত্তরণের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে ধরা হলেও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও তথ্যপ্রবাহে অব্যাহত বিধিনিষেধের মাধ্যমে সেখানে নাগরিক অধিকার ক্ষুণ্য হচ্ছে।
জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার রাভিনা শামদাসানী জেনেভাতে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘মিয়ানমারের বৈষম্যমূলক নাগরিকত্ব ও নির্বাচনী আইন বিভিন্ন শ্রেণির নাগরিককে নানা ধরনের রাজনৈতিক অধিকার দেয়। এটা স্পষ্টভাবে নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত সংখ্যালঘুদের ওপর প্রভাব ফেলছে। এ ছাড়া রাখাইন রাজ্যসহ ৫৬টি শহরে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে না বলে যে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশন সে সিদ্ধান্তের জন্য জনসমর্থন নেয়নি।’
বিবৃতিতে বলা হয়, রাখাইন ও চিন রাজ্যের আটটি শহরে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রয়েছে। এতে ওই এলাকাগুলোতে কভিড-১৯ ও নির্বাচনসহ অন্যান্য তথ্য পাওয়ার অধিকার সীমিত হয়ে গেছে। রাভিনা শামদাসানী বলেন, ‘আমরা মিয়ানমার সরকারকে কোনো ধরনের বৈষম্য ছাড়া রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিতের ব্যবস্থা করার আহ্বান জানাই।’