মুক্তিযোদ্ধাদের নামের আগে ‘বীর’ লেখা বাধ্যতামূলক

সব ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের নামের আগে ‘বীর’ শব্দ ব্যবহারের বিধান করে গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার। গতকাল বৃহস্পতিবার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এদিকে বীরাঙ্গনাদের গেজেটভুক্তির জন্য আবেদন ও তথ্য চেয়েছে মন্ত্রণালয়। আলাদা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। 

মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. মতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত গেজেটে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট আইন-২০১৮-এর ধারা ২ (১১)-এ  মুক্তিযোদ্ধাদের ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। উক্ত আইনের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে এবং একাদশ জাতীয় সংসদের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ১৩তম বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সব ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের নামের আগে ‘বীর’ শব্দটি ব্যবহার করতে হবে। এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে গেজেটে উল্লেখ করা হয়েছে।

অপর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘মহান স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় পাকিস্তান হানাদার বাহিনী ও তাদের দেশীয় দোসর রাজাকার, আলবদর, আলশামসসহ অন্যান্য সহযোগী কর্র্তৃক শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতিত বীরাঙ্গনাদের গেজেটভুক্তির জন্য আবেদন আহ্বান করেছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। নিজ নিজ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে আবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। আবেদনের সঙ্গে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, যেমন ন্যাশনাল আইডি বা যুদ্ধকালীন কমান্ডারের প্রতিবেদন বা স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিবেদন যদি থাকে তা জমা দিতে বলা হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, উপজেলা নির্বাহী অফিসাররা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটির মতামতসহ এসব আবেদনপত্র সরাসরি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাঠাবেন। এ ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, গবেষক, নারী সংগঠন বা এনজিওর কাছে বীরাঙ্গনাদের সম্পর্কে তথ্য থাকলে তা মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রদান করে গেজেটভুক্তির কাজে সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।