বলাৎকারকে ধর্ষণ হিসেবে গণ্য করে এর শাস্তি মৃত্যুদন্ড করতে আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ডাকযোগে ও ই-ইমেইলে স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন সচিব, শিক্ষা সচিব, ধর্ম সচিব, আলিয়া মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের উদ্দেশে এ নোটিস পাঠান সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবী মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির পল্লব এবং মোহাম্মদ কাওছার। সম্প্রতি দেশের কিছু মাদ্রাসায় শিক্ষক কর্র্তৃক ছাত্র ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতনের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এবং ধর্ষণের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদন্ডের মতো বলাৎকারের সাজা মৃত্যুদন্ড করতে এ নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে জানান দুই আইনজীবী।
নোটিসে বলা হয়, বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে পুরুষের সঙ্গে পুরুষের জোরপূর্বক যৌনসঙ্গমকে ধর্ষণ হিসেবে বিবেচনা করা হয় না। ফলে এ ধরনের যৌনসঙ্গমের শাস্তি অনেক কম থাকায় এ ঘটনা বাড়ছে। দন্ডবিধির ৩৭৫ ধারায়, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ ধারায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনয়ন করে পুরুষ কর্র্তৃক ছাত্রদের বলাৎকারকে ধর্ষণ হিসেবে গণ্য করে এ ধরনের অপরাধে ধর্ষণের মতোই সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড প্রয়োগে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়।
নোটিসদাতা ব্যারিস্টার হুমায়ুন কবির পল্লব বলেন, মাদ্রাসাগুলোতে অধিকাংশ শিক্ষার্থী এতিম এবং সমাজের বঞ্চিত শিশু-কিশোররা পড়াশোনা করে। এ কারণে তাদেরকে নির্যাতনের কোনো ঘটনা ঘটলেও আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ বা সামাজিক এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে তাদের পাশে দাঁড়ানোর মতো তেমন কাউকে দেখা যায় না। ফলে অপরাধীরা এ ধরনের জঘন্য এবং ঘৃণ্য অপরাধ করেও অতি সহজেই পার পেয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ প্রয়োজন।