ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বাংলালায়ন কমিউনেশন লিমিটেডের সকল স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ও শেয়ার হস্তান্তরের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে হাইকোর্ট। এ সংক্রান্ত আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়। আদেশে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ব্রোকার হাউজ, মার্চেন্ট ব্যাংক বা একই জাতীয় প্রতিষ্ঠানে থাকা বাংলালায়নের টাকা ও জামানত হিসেবে রাখা সম্পদ হস্তান্তরের ওপর তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বাংলালায়নের অবসান চেয়ে ফারইস্ট ইসলামিক লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের আবেদনটি কেন গ্রহণ করা হবে না, তা জানতে চেয়ে কারণ দর্শাতে বলেছে হাইকোর্ট।
গত ১৮ অক্টোবর হাইকোর্টের এ আদেশটি হলেও আদেশের অনুলিপি গতকাল বৃহস্পতিবার আইনজীবীদের হাতে আসে বলে সাংবাদিকদের জানান আবেদনকারীপক্ষের আইনজীবীরা। বাংলালায়ন থেকে বন্ড ক্রেতা ফারইস্ট বাংলালায়নের অবসায়ন চেয়ে এ আবেদনটি করে। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মাহফুজুর রহমান মিলন, মো. সাইফুল ইসলাম সাইফ ও ইমরান আলী।
আইনজীবী সাইফুল ইসলাম সাইফ সাংবাদিকদের জানান, ফারইস্ট ইসলামিক লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড ২০১২ সালে বাংলালায়ন কমিউনিকেশন্স লিমিটেডের ৫০ কোটি টাকার বন্ড কেনে। ফারইস্ট যে টাকার বন্ড কিনেছিল, ২০১৪ সাল থেকে পাঁচ বছরে পাঁচটি কিস্তিতে সেটি বাংলালায়নের পরিশোধ করার কথা ছিল। ২০১৯ সালে ফারইস্ট বন্ডের টাকা ফেরত চায়। তখন এর বাজারমূল্য ছিল ৯৮ কোটি টাকা। এখন এর বাজার মূল্য ১৩৯ কোটি টাকা। টাকা চেয়ে বিভিন্ন সময় বাংলালায়নকে চিঠি দেওয়া হলেও সন্তোষজনক জবাব না দেওয়ায় ফারইস্ট হাইকোর্টে আবেদন করে।