হেফাজত দ্বিখন্ডিত

নিজেদের বারবার অরাজনৈতিক সংগঠন দাবি করা হেফাজতে ইসলাম কার্যত রাজনৈতিক দলাদলিতে দ্বিখ-িত হয়ে গেল। সংগঠনটির প্রয়াত আমির আহমদ শফীর এক সময়ের শিষ্য জুনায়েদ বাবুনগরীর নেতৃত্বে গতকাল রবিবার বিভক্ত হেফাজতে ইসলাম বাবুনগরীকে সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্বে বসিয়ে ১৫১ সদস্যের নতুন কমিটি ঘোষণা করে। হেফাজতের নেতৃত্ব নিজের কাঁধে তুলে জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন, মুরব্বিরা আমার হাতে হেফাজতের নেতৃত্ব তুলে দিয়েছেন।

এদিকে নতুন এ কমিটির বিরোধিতা করে ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন করেছেন শফী অনুসারীরা। বিশেষ মহলের ইঙ্গিতে, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হেফাজতের নতুন কমিটি করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মহানগর হেফাজতে ইসলামের আমির মুহাম্মদ ওয়াক্কাস। ওয়াক্কাস সামরিক শাসক এরশাদের ধর্মপ্রতিমন্ত্রী এবং বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের নির্বাচিত এমপি ছিলেন। তিনি আহমদ শফীর অনুসারী ও মহানগরের বিলুপ্ত কমিটির আমির। বাবুনগরীর নতুন কমিটির উপদেষ্টা রাখা হয়েছে মুহাম্মদ ওয়াক্কাসকে। বাদ দেওয়া হয়েছে শফীপুত্র আনাস মাদানী, মুফতি ফয়জুল্লাহ ও মঈনুদ্দীন রুহীসহ সাবেক শীর্ষ কয়েক নেতাকে। সংবাদ সম্মেলনে ওয়াক্কাস আরও বলেন, হেফাজতে ইসলামের আমির আহমদ শফী ইন্তেকাল করেছেন। এ কারণে তার পদটি পূরণের দরকার ছিল। কিন্তু হাটহাজারীতে আজ (গতকাল) যে কমিটি পুনর্গঠন হয়েছে তা বিষয়বস্তুতে ছিল না। এটি বাড়াবাড়ি হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। হেফাজতে ইসলামের একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, (শফী অনুসারী) চলতি সপ্তাহেই পাল্টা কমিটি ঘোষণার প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। এ অংশটাও সরকারের সুদৃষ্টি আশা করছে বলে সরকারি কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে।

আহমদ শফী অনুসারী মঈনুদ্দীন রুহী দেশ রূপান্তরকে বলেন, বিশেষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এ কমিটির বৈধতা নেই। অবৈধ এ কমিটি টিকবে না। তিনি আরও বলেন, বিএনপি-জামায়াতের বিশেষ ইন্ধনে কমিটি ঘোষণা করেছে বাবুনগরী। প্রসঙ্গত, শাপলা চত্বরের ঘটনার নৈপথ্যে মঈনুদ্দীন রুহীর সক্রিয় সরকার বিরোধিতা সে সময় গণমাধ্যমে উঠে এসেছিল। বাবুনগরীর নতুন কমিটি নিয়ে শফী অনুসারীরা অভিযোগ তুললেও এখনই আমলে নিতে চায় না ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। হেফাজতে ইসলামের নতুন কমিটি নিয়ে আওয়ামী  লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ফারুক খান দেশ রূপান্তরকে বলেন, হেফাজতে ইসলামের নতুন কমিটির কাজকর্ম পর্যবেক্ষণ করব আমরা।

সরকারের কয়েকটি সূত্র দাবি করছে, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকারের সঙ্গে তিন শর্তে সমঝোতা করে হেফাজতে ইসলামকে ভাগ করে একাংশের আমির হলেন মাওলানা আহমেদ শফীর অনুসারী জুনায়েদ বাবুনগরী। শর্তগুলো হলো, হেফাজতে ইসলামকে অরাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে এই বৈশিষ্ট্য ধরে রাখতে হবে। রাজনৈতিক কোনো দলের কোনো কাজে যেন ব্যবহৃত না হয় হেফাজতে ইসলাম ও বিএনপি-জামায়াত স্বাধীনতাবিরোধী কাউকে এ সংগঠনে জায়গা দেওয়া যাবে না। এ শর্তের ব্যত্যয় ঘটলে হেফাজতে ইসলামকে মাশুল গুনতে হবে। ওই শর্তে আরও রয়েছে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হেফাজতকে যেসব সহযোগিতা করেছেন বর্তমান নেতৃত্ব তা যেন স্মরণ করে পথ চলে। হেফাজতে ইসলামের একাধিক নেতা দেশ রূপান্তরকে এ তথ্য জানিয়ে বলেন, এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের অন্যতম নেতা তরীকত ফেডারেশনের নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী দেশ রূপান্তরকে বলেন, হেফাজতে ইসলামের কাউন্সিলে কমিটি ঘোষণা হয়েছে। কমিটির বৈধতা নিয়ে আমার কোনো বক্তব্য নেই। তিনি বলেন, হেফাজতে ইসলামের এ নেতৃত্বের ওপর আস্থা-বিশ্বাস রাখতে চাই। আমরা চাই হেফাজতে ইসলাম অরাজনৈতিক সংগঠন তারা তাদের এই চরিত্র বজায় রেখেই এগিয়ে যাবে, রাজনৈতিক কোনো স্বাথে তারা ব্যবহৃত হবে না ও বিএনপি-জামায়াত ও যুদ্ধাপরাধী কাউকে এ সংগঠনে ঢোকানো যাবে না। মাইজভান্ডারী বলেন, বাবুনগরীর সঙ্গে আমার বেশ কয়েকবার বৈঠক হয়েছে। তিনি এসব ব্যত্যয় ঘটবে না বলে আমাকে কথা দিয়েছেন। তিনি বলেন, তারা কতটুকু কথা রাখে তা দেখার জন্য সময় লাগবে।

হেফাজতে ইসলামের সম্মেলনে জুনায়েদ বাবুনগরীকে আমির এবং নূর হোসাইন কাসেমীকে মহাসচিব করে ১৫১ সদস্যের নতুন কমিটিতে হেফাজতের গত কমিটির সংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক এবারও একই দায়িত্ব পেয়েছেন। জুনায়েদ বাবুনগরী ছিলেন শফীর কমিটির মহাসচিব আর কাসেমী ছিলেন নায়েবে আমির। সারা দেশে সংগঠনের জেলা প্রতিনিধিসহ প্রায় ৫০০ জনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল হেফাজতে ইসলামের সম্মেলনে। তবে নতুন কমিটি গঠন হয়েছে জ্যেষ্ঠ আলেমদের ১৫ জনের শূরা কমিটির সিদ্ধান্তে। এদিকে সংবাদ সম্মেলনে বাবুনগরীবিরোধী কমিটির নেতা ওয়াক্কাস অভিযোগ করেন, আমি তো কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির, ঢাকা মহানগর কমিটির প্রধান উপদেষ্টা। আমার সঙ্গে শুরুতেও কোনো আলোচনা করা হয়নি, চিঠি দেওয়া হয়নি। এভাবে অনেক আলেম বাদ পড়ে গেছেন।

নতুন কমিটিতে খেলাফত মজলিসের ২২ ও ২০ দলীয় জোটের ৩২ জন নেতা রয়েছেন।

প্রতিনিধি সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের নায়েবে আমির নাজিরহাট আল জামিয়া আল আরাবিয়া নছিরুল ইসলাম মাদ্রাসার শূরা সদস্য ও ফটিকছড়ি বাবুনগর মাদ্রাসার মুহতামিম মহিবুল্লাহ বাবুনগরী। তিনি মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরীর মামা। যেখানে এ সম্মেলন হয়েছে, হাটহাজারীর সেই আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম মাদ্রাসার মুহতামিম বা পরিচালক ছিলেন হেফাজত আমির শাহ আহমদ শফী। গত ১৮ সেপ্টেম্বর মারা যাওয়ার আগের দিন তিনি অভ্যন্তরীণ কোন্দলে মাদ্রাসার কর্র্তৃত্ব হারান।

আহমদ শফীর অনুসারীদের অভিযোগ, হেফাজতের সম্মেলনে তাদের দাওয়াত দেওয়া হয়নি। তাদের দাবি, হেফাজতে ইসলামের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের এ সম্মেলনের ‘বৈধতা নেই’। এ সম্মেলনের মাধ্যমে ‘শফী হুজুরের হাতে গড়া অরাজনৈতিক কওমি সংগঠন’ হেফাজতে ইসলামকে পরিকল্পিতভাবে ‘জামায়াত-শিবির, বিএনপির হাতে’ তুলে দেওয়া হচ্ছে বলেও এর আগে গত শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন শফীর ছোট শ্যালক মো. মঈনউদ্দিন।

২০১৩ সালে গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলন শুরুর পর তাদের বিরোধী অবস্থান নিয়ে আলোচনায় উঠে আসে হেফাজতে ইসলাম। শফীর বয়স হওয়ায় হাটহাজারী মাদ্রাসায় তার উত্তরসূরি নির্বাচন নিয়ে তার অনুসারী এবং বাবুনগরীর অনুসারীদের মধ্যে বিরোধ প্রকাশ্য রূপ নেয় চলতি বছর। মাদ্রাসার নায়েবে মুহতামিম বা সহকারী পরিচালকের পদে থাকা জুনায়েদ বাবুনগরী ছিলেন মাদ্রাসাটির শীর্ষ পদের অন্যতম দাবিদার। কিন্তু শফীর ছেলে আনাস মাদানীর সঙ্গে তার দ্বন্দ্বে মাদ্রাসায় অস্থিরতা দেখা দেয়। করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে প্রায় ছয় মাস বন্ধ থাকার পর মাদ্রাসা খোলা হলে সেপ্টেম্বরে আকস্মিকভাবে শফীবিরোধী কয়েকশ শিক্ষার্থী বিক্ষোভ শুরু করে। বিক্ষোভের মুখে গত ১৭ সেপ্টেম্বর মাদ্রাসার শূরা কমিটি বৈঠকে আনাস মাদানীকে মাদ্রাসার সহকারী পরিচালকসহ সব পদ থেকে অব্যাহতি দেয়। আর মুহতামিম আহমদ শফী নিজের পদ ছেড়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকায় মারা যান আহমদ শফী। তার মৃত্যুর পর বাবুনগরী অনুসারীরা আরও সক্রিয় হন। গতকাল বাবুনগরীকে নেতৃত্বে বসায় সংগঠনটি।

এদিকে চট্টগ্রাম অফিস জানায়, সকাল সাড়ে ১০টায় হাটহাজারী দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম মাদ্রাসা শিক্ষা ভবনে প্রতিনিধি সম্মেলন ও কাউন্সিল অধিবেশন শুরু হয়। তার আগেই সারা দেশ থেকে আমন্ত্রিত অতিথিরা সেখানে পৌঁছেন। তবে সংগঠনের যুগ্ম মহাসচিব মুফতি ফয়জুল্লাহ, মাওলানা মঈনুদ্দীন রুহী, আহমদ শফীর ছেলে ও সংগঠনের প্রচার সম্পাদক মাওলানা আনাস মাদানীসহ শফীর অনুসারী হিসেবে পরিচিত বেশ কজন নেতা কাউন্সিলে যোগ দেননি।

হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির মুহিবুল্লাহ বাবুনগরীর সভাপতিত্বে দুই পর্বে কাউন্সিল অধিবেশন হয়। শুরুতেই হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশের সদ্য সাবেক মহাসচিব জুনায়েদ বাবুুনগরী উদ্বোধনী বক্তব্যের মাধ্যমে হেফাজতের বিগত কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেন। এরপর সংগঠনের জ্যেষ্ঠ নেতারা আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে উপস্থিত প্রতিনিধিদের সম্মতিতে নতুন কমিটি গঠনের জন্য ১২ জন সিনিয়র আলেমের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করেন। তারা হলেন মাওলানা মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী, নুরুল ইসলাম জিহাদী, জুনায়েদ বাবুনগরী, নুর হোসাইন কাসেমী, ইয়াহহিয়া, আবদুল আওয়াল, মাহফুজুল হক, জোনায়েদ আল হাবিব, মুফতি মনির হোসেন, আজিজুল হক ইসলামাবাদী, নাছির উদ্দিন মুনির ও আতাউল্লাহ হাবিবী। দীর্ঘ সময় ধরে নিজেদের মধ্যে আলোচনার পর হেফাজতে ইসলামের নতুন কমিটি গঠন করেন তারা।

দুপুর ২টার পর শুরু হয় কাউন্সিলের দ্বিতীয় অধিবেশন। মহিবুল্লাহ বাবুনগরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনে জামিয়া রহমানিয়া ঢাকার পরিচালক ও বেফাকের মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশের নতুন কমিটি ঘোষণা করেন। নতুন কমিটিতে জুনায়েদ বাবুনগরীকে আমির এবং জামেয়া ইসলামিয়া বারিধারা মাদ্রাসার মহাপরিচালক আল্লামা নুর হোসেন কাসেমীকে মহাসচিব হিসেবে ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে ৩২ জন নায়েবে আমির, ৮ জন যুগ্ম মহাসচিব এবং ১৮ জন সহকারী মহাসচিবের নামও ঘোষণা করা হয়। তাছাড়া মহিবুল্লাহ বাবুনগরীকে সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা করে ২৪ সদস্যবিশিষ্ট উপদেষ্টা পরিষদও ঘোষণা দেওয়া হয়।

এদিকে হেফাজতের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য অপ্রীতিকর ঘটনার আশঙ্কায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনসহ জলকামান প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন ছিলেন পুরোপুরি সতর্ক অবস্থায়। হাটহাজারী বাসস্টেশন, বাজার, ডাকবাংলা চত্বর ও মেডিকেল গেট এলাকায় অবস্থান নেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। তবে কাউন্সিল থেকে সবাই শান্তিপূর্ণভাবে মাদ্রাসা ত্যাগ করেন।

নতুন কমিটিতে স্থান পেলেন যারা

আমির : হাফেজ জুনায়েদ বাবুনগরী (শায়খুল হাদিস-হাটহাজারী মাদ্রাসা), নায়েবে আমির : মাওলানা হাফেজ নুরুল ইসলাম (প্রিন্সিপাল-খিলগাঁও মাদ্রাসা, ঢাকা), মাওলানা হাফেজ আতাউল্লাহ ইবনে হাফেজ্জী হুজুর (ঢাকা), মাওলানা শায়খ আহমদ (হাটহাজারী মাদ্রাসা), মাওলানা নুরুল ইসলাম অলিপুরী (প্রিন্সিপাল-মাদ্রাসা নুরে মদীনা, হবিগঞ্জ), মাওলানা সালাহ উদ্দিন নানুপুরী (পরিচালক-জামেয়া ওবায়দিয়া, নানুপুর), মুফতি আহমদুল্লাহ (শায়খুল হাদিস, জামিয়া পটিয়া), আবদুল হামিদ (মুন্সীগঞ্জ), মুফতি আরশাদ রহমানী (পরিচালক ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, বসুন্ধরা), মাওলানা মুফতি মাহফুজুল হক (বেফাক মহাসচিব), মাওলানা মুহিবুল হক গাছবাড়ী (দরগাহ মাদ্রাসা, সিলেট), মাওলানা সাজেদুর রহমান (জামিয়া ইউনুছিয়া, বি-বাড়িয়া), মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ সাদী (সভাপতি-ইত্তেফাকুল ওলামা ময়মনসিংহ), মোহাম্মদ ইয়াহইয়া, (হাটহাজারী মাদ্রাসা), হজরত মাওলানা হাবিবুর রহমান (লালবাগ মাদ্রাসা, ঢাকা), মাওলানা আবদুর রব ইউসুফী (জামেয়া শায়খ জাকারিয়া, ঢাকা), প্রফেসর ড. আহমদ আবদুল কাদের (ঢাকা), হজরত মাওলানা আবদুল আউয়াল (খতিব ডিআইটি মসজিদ, নারায়ণগঞ্জ), প্রফেসর ড. মাওলানা আ ফ ম খালিদ হোসেন (চট্টগ্রাম), মাওলানা সরোয়ার কামাল আজিজী (পদুয়া মাদ্রাসা), মাওলানা মুফতি হাবিবুর রহমান কাসেমী (নাজিরহাট মাদ্রাসা), মাওলানা ফোরকানুল্লাহ খলিল (দারুল মা’আরিফ), মাওলানা মুফতি জসিম উদ্দিন (হাটহাজারী), হাফেজ তাজুল ইসলাম (পীর সাহেব, ফিরোজশাহ), মাওলানা আনোয়ারুল করিম (যশোর), মাওলানা মোশতাক আহমদ (খুলনা), মাওলানা বাহাউদ্দিন জাকারিয়া (আরজাবাদ মাদ্রাসা), মাওলানা আনাস (ভোলা), মাওলানা রশিদ আহমদ (কিশোরগঞ্জ), মাওলানা জাফরুল্লাহ খান (ঢাকা), মাওলানা নুরুল ইসলাম খান (সুনামগঞ্জ), হজরত মাওলানা নেজাম উদ্দিন (নোয়াখালী), মাওলানা আবদুল হালিম (বরিশাল), মাওলানা মোহাম্মদ ইউনুস (রংপুর), মাওলানা জাহেদুল্লাহ (ইছাপুর মাদ্রাসা)।

মহাসচিব : আল্লামা নুর হোসাইন কাসেমী (বারিধারা, ঢাকা), যুগ্ম মহাসচিব : মাওলানা জুনাইদ আল হাবিব, মাওলানা মুহাম্মদ মামুনুল হক, মাওলানা লোকমান হাকীম, মাওলানা নাছির উদ্দিন মুনির। সহকারী মহাসচিব : মাওলানা আশরাফ আলী নিজামপুরী, মাওলানা ফজলুল করিম কাসেমী, মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, মাওলানা খোরশেদ আলম কাসেমী, মাওলানা মন্জুরুল ইসলাম আফেন্দী, মাওলানা জালাল উদ্দিন আহমদ, মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী, মাওলানা আবদুল বাসেত খান সিরাজী, মাওলানা মাহমুদুল হাসান ফতেহপুরী, মাওলানা হাবিবুল্লাহ আজাদী, মাওলানা মুফতি আজহারুল ইসলাম, মাওলানা জসিম উদ্দিন, মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী, মাওলানা মহিউদ্দিন ইকরাম, মাওলানা মুসা বিন ইজহার, মাওলানা জাফর আহমদ, মাওলানা শফিক উদ্দিন, মাওলানা হাসান জামিল।

সাংগঠনিক সম্পাদক : মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী। সহকারী সাংগঠনিক সম্পাদক : মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, মাওলানা মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন রাজী, মাওলানা মীর ইদরিস, মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন, মাওলানা মাসউদুল করিম, মাওলানা শামসুল ইসলাম জিলানী, মাওলানা মুফতি ওমর ফারুক, মাওলানা তাফহীমুল হক, মাওলানা মাহমুদুল আলম। অর্থ সম্পাদক : মাওলানা মুফতি মুনির হোসাইন কাসেমী। সহকারী অর্থ সম্পাদক : মাওলানা হাফেজ মুহাম্মদ ফায়সাল, মাওলানা লোকমান মাজহারী, মাওলানা ইলিয়াস হামিদী, মুহাম্মদ আহসানুল্লাহ। প্রচার সম্পাদক : মাওলানা জাকারিয়া নোমান ফয়জী, সহকারী প্রচার সম্পাদক : মাওলানা ইয়াকুব ওসমানী, মাওলানা ফায়সাল আহমদ, হজরত মাওলানা মুফতি শরীফুল্লাহ, হজরত মাওলানা ফেরদাউসুর রহমান, মাওলানা হাফেজ সায়েমুল্লাহ। শিক্ষা ও সংস্কৃতি সম্পাদক : মাওলানা মুফতি হারুন ইজহার। সহকারী শিক্ষা ও সংস্কৃতি সম্পাদক : মাওলানা জুনায়েদ বিন জালাল। সাহিত্য ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক : হজরত মাওলানা হারুন আযিযী নদভী। সহকারী সাহিত্য ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক : মাওলানা মাহবুবুর রহমান হানিফ। দপ্তর সম্পাদক : মাওলানা হাফেজ মোহাম্মদ তৈয়ব। সহকারী দপ্তর সম্পাদক : মাওলানা আবু তাহের ওসমানী, মাওলানা সিদ্দিকুল ইসলাম তোফায়েল। সমাজকল্যাণ সম্পাদক : মাওলানা মুফতি কুতুবউদ্দিন নানুপুরী। সহকারী সমাজকল্যাণ সম্পাদক : মাওলানা হাফেজ সালামতুল্লাহ। আইনবিষয়ক সম্পাদক : অ্যাডভোকেট মাওলানা শাহীনুর পাশা চৌধুরী। সহকারী আইনবিষয়ক সম্পাদক : অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ নিজামউদ্দিন। দাওয়াহবিষয়ক সম্পাদক : মাওলানা নাজমুল হাসান। সহকারী দাওয়াহবিষয়ক সম্পাদক : মাওলানা মোশতাকন্নবী কাসেমী, মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী। তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক : মাওলানা উবায়দুর রহমান খান নদভী। ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক : মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ আলী। সহকারী ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক : মাওলানা জাকারিয়া মাদানী, মাওলানা গাজী ইয়াকুব। ছাত্র ও যুববিষয়ক সম্পাদক : মাওলানা হাফেজ মোহাম্মদ খোবাইব। সহকারী ছাত্র ও যুববিষয়ক সম্পাদক : মাওলানা জিয়াউল হোসাইন ও আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক : মাওলানা হাফেজ হেলাল উদ্দিন নানুপুরী।