নরসিংদী জেলার সথেঙ্গ কিশোরগঞ্জের যোগাযোগ রক্ষাকারী একমাত্র রাস্তা মঠখোলা-পাকুন্দিয়া-কিশোরগঞ্জ সড়কটি এখন বেহাল। সড়কে বড় বড় গর্তের কারণে যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে উঠেছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। নির্মাণের সময় সড়ক লেবেল না করায় এখন গাড়ি চালাতে পারছেন না চালকরা। সড়কটির ১১ কিলোমিটার জুড়েই যেন স্পিডব্রেকার। নিম্নমানের কাজ করায় অল্পদিনেই সড়কের পিচ উঠে গেছে।
স্থানীয়রা জানান, সড়কটিতে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় সেটি এখন যান চলাচলে অনুপযোগী। পাকুন্দিয়া উপজেলাবাসী নিরুপায় হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রয়োজনের তাগিদে মঠখোলা হয়ে নরসিংদী এবং ঢাকায় যাতায়াত করছেন। এ উপজেলার উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মানুষ পার্শ্ববর্তী জেলা নরসিংদী থেকে পণ্য এনে পাকুন্দিয়া, মঠখোলা, হোসেন্দী, পুলেরঘাটসহ বিভিন্ন বাজারে ব্যবসা-বাণিজ্য করছেন। কিন্তু ওই সড়কে যাতায়াতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে তাদের। পাকুন্দিয়া বাজারের ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেন বলেন, সড়কের এমন দশার কারণে চলাচল করতে ভয় লাগে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেটে ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর পাকুন্দিয়া জিসি-মঠখোলা (বটতলা) রোড নামে প্রায় ১১ কিলোমিটার রাস্তায় প্রায় ১১ কোটি টাকা ব্যয়ে নিম্নমানের বিটুমিন ও নির্মাণসামগ্রী দিয়ে সংস্কারকাজ করে। এর ঠিকাদার ছিল মেসার্স সালেহ অ্যান্ড ব্রাদার্স। কিন্তু ছয় মাসের মাথায় সড়কটি ভেঙে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়। সেই থেকে সড়কটির এমন অবস্থা। এ ব্যাপারে পাকুন্দিয়া উপজেলা প্রকৌশলী মো. হাবিবুল্লাহ বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটির কাগজপত্রে তিন বছর পূর্ণ হয়েছে। আগামী বছর রাস্তাটির মেয়াদ শেষ হবে। পুনর্নির্মাণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আপাতত সড়কটির বড় বড় গর্ত ভরাট কাজ আমরা করে দেব।